সোমবার বেলা ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ পৌরসভার কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে কুশেরচর এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত সামিয়া ইসলাম মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার গঙ্গাধরপট্টি এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে। সে সামিয়া মানিকগঞ্জ এস.কে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ৩টার দিকে কোচিং করার জন্য বাসা থেকে বের হয় সামিয়া। সেদিন বিকেল ৫টার দিকে নদীর পাড়ে একটি স্কুল ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন এক নারী। ব্যাগের ভেতরে থাকা একটি মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে সামিয়ার বাবা রিসিভ করেন। পরে তাকে জানান, যে ব্যাগটি পাওয়া গেছে নদীর পাড়ে।
.png)
খবর পেয়ে সামিয়ার বাবা নদীর পাড়ে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পায়নি। পরে সেখানকার একটি রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজ থেকে দেখতে পাওয়া সামিয়া ৩টা ১৬ মিনিটের দিকে চর বেউথা নদীর পাশ দিয়ে একাই হেটে যাচ্ছিল। সোমবার সকালে বেউথা কালীগঙ্গা নদীতে স্থানীয় এক লোক গোসল করতে এসে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি হাবিল হোসেন জানান, সকালে আমাদের কাছে একটি কল আসে বেউথা নদীতে একটি লাশ ভেসে উঠেছে। খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে যেয়ে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে নিহত সামিয়ার বাবা সাইফুল ইসলাম শনিবার সন্ধ্যায় একটি মিসিং ডায়েরি করেছিলেন। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।