মীম শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি থানার বিষ্ণুপুর গ্রামের বাসিন্দা মনু মিয়ার মেয়ে। সে হযরত উম্মে হাবিবাহ্ (রা.) মহিলা মাদরাসার ৫ম শ্রেণির আবাসিক ছাত্রী ছিল।
মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতের খাবার শেষে মীমসহ অন্যান্য ছাত্রীরা পড়াশোনা করে ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু রোববার ভোরে ফ্যানের সঙ্গে মীমের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান মাদরাসার শিক্ষিকা। তৎক্ষণাৎ ওড়না কেটে লাশ নামানো হয় এবং পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়।
.png)
মীমের বাবা মনু মিয়া বলেন, ভোরে মাদরাসা থেকে আমাকে জানানো হয় মেয়ে অসুস্থ। কিন্তু মাদরাসায় এসে দেখি মেয়ের লাশ। এটা আত্মহত্যা হতে পারে বলে আমাকে জানানো হয়। কিন্তু আমার মেয়ে কেন এমন করবে? আমি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
হযরত উম্মে হাবিবাহ্ (রা.) মহিলা মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শামীম সরকার বলেন, আমাদের ধারণা, সে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে কেন এমন ঘটনা ঘটল, সেটি স্পষ্ট নয়। পরিবারের সঙ্গে আমরাও শোকহত এবং আইনগত প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছি।
কোনাবাড়ী থানার এসআই তাইম উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই এবং মীমের লাশ উদ্ধার করি। সুরতহাল রিপোর্ট করে ধারণা করা হচ্ছে- এটি আত্মহত্যা। তবে, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পরই বলা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।