পরে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তামিমকে থানায় নেয়া হয়। তবে অসুস্থ থাকায় এ রিপোর্ট লেখার সময় (সন্ধ্যা ৬টা) পর্যন্ত পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে শহরের জামে মসজিদের পাশের সবজি বাজারে তামিমকে দেখতে পেয়ে নিহত রাবিয়ার স্বামী রবিউল ইসলাম ও ছেলে আল আমিন বাজারের লোকজনের সহায়তায় ধরে ফেলেন। এ সময় তামিমকে এলাপাতাড়ি কিল-ঘুষি, চড়-থাপ্পড় মারে উপস্থিত জনতা। স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে এসআই সৌরভ কুমার গাঙ্গুলী, এসআই ছলিমুল হক, এএসআই সুমন হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশের দলটি।
.png)
এর আগে, গত ৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজের পর ১০ ডিসেম্বর প্রতিবেশী তামিমের বাড়ির প্রাচীরের মধ্যকার ডোবা থেকে রাবিয়া খাতুনের লাশ উদ্ধার হয়। এ ঘটনার আগের দিন (৯ ডিসেম্বর) তামিমের বাড়ির ফটকের সামনে থেকে নিহত রাবিয়ার জুতা ও হাতে থাকা টর্চলাইট উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী রবিউল ইসলাম তামিম, তার পিতা তাজুদ্দিন ও চাচা জসিম উদ্দিনকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে মামলা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. লুৎফুন্নাহার লতা বলেন, তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। শরীরে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড়ের চিহ্ন ছিল।
হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চৌগাছা থানার এসআই আশরাফ হোসেন বলেন, নিহতের পরিবারের লোকজন বাজারে পেয়ে ধরে ফেলে উত্তম-মধ্যম দেয়। সংবাদ পেয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এখনো তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। খাবার ও ওষুধ খাইয়ে রাখা হয়েছে। একটু সুস্থ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হবে।