ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

হোসেনপুরে বেহাল সড়কে জনগণের ভোগান্তি

সাগর মিয়া, হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ)
প্রকাশিত: ১৮:৪৫, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোসেনপুরে বেহাল সড়কে জনগণের ভোগান্তি
এক কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

‎কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার হোসেনপুর-কিশোরগঞ্জ সড়ক থেকে ধনকুড়া হাজী এ খালেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়ে কামারপাড়া পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তাই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী। 

‎সরেজমিন তথ্য সংগ্রহ কালে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভাঙন ও খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রতিদিন দুর্ভোগ মাথায় নিয়ে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। এলাকাবাসীর দাবি, প্রায় ১৬ বছর আগে সড়কটিতে ইটের সলিং করা হলেও এরপর আর উল্লেখযোগ্য কোনো সংস্কার বা উন্নয়নকাজ হয়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইট উঠে গিয়ে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে বর্ষার সময় সড়কটি দিয়ে চলাচল আরও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।

‎স্থানীয় অটোচালক আব্দুল মতিন জানান, বেহাল সড়কের কারণে যানবাহন নিয়ে চলাচল করতে অনেক কষ্ট হয়। খানাখন্দের কারণে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং যাত্রীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দ্রুত সড়কটি পাকাকরণ করা হলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে।


‎‎ধনকুড়া হাজী এ খালেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাকিব মিয়া জানায়, প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয়। রাস্তা খারাপ হওয়ায় চলাচলে অনেক সমস্যা হয়। বর্ষার সময় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়।

‎স্থানীয় ব্যবসায়ী হরিদাস কর্মকার জানান, সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে মালামাল পরিবহনসহ ব্যবসায়িক কাজে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সড়কটি পাকা হলে এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নতি হবে।

‎স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি বেহাল অবস্থায় রয়েছে। বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেও কোনো কার্যকর সমাধান হয়নি। এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খুর্শিদ উদ্দিন বলেন, রাস্তাটি আমি দেখেছি৷ এ রাস্তা দিয়ে একটি মন্দির, মসজিদ ও প্রাইমারি স্কুলে যেতে হয়। রাস্তাটির অবস্থা খারাপ। আমি এর আগেও উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। আবারও বলবো।

Advertisement
ডেইলি-বাংলাদেশ/DB-M-02
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!