রোববার এই ঘটনার প্রতিবাদ ও দুর্বৃত্তদের শাস্তি দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন সংলগ্ন প্যারিস রোডে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে বিভিন্ন বিভাগের প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
.png)
মানববন্ধনে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ওসমান গনী বলেন, রেলভ্রমণ আমাদের জন্য আরামদায়ক। তাই সবাই রেলভ্রমণ করতে চাই। কিন্তু এই রেলভ্রমণ মাঝেমধ্যেই অনিরাপদ হয়ে উঠছে, ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিশেষ করে পাথর নিক্ষেপের ঘটনাগুলোর যদি প্রতিকার না করা যায় তাহলে রেলভ্রমণ সবার জন্য আরো ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আমরা চাই কারো ক্ষেত্রে যেনো এমন পাথর নিক্ষেপের ঘটনা না ঘটে। ট্রেনে পাথর নিক্ষেপকারীদের র্দুবৃত্তদের নিশ্চিত করে শাস্তির দাবি জানাই।
পপুলেশন সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী আশফাকুর রহমান বলেন, মিডিয়ায় ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা আমরা প্রায়ই দেখি। কিন্তু এসব ঘটনায় কোনো কার্যকরি পদক্ষেপ দেখা যায় না। আমরা চাই দেশের যেসব স্থানে এই পাথর নিক্ষেপের ঘটনাগুলো ঘটে সে স্থানগুলো চিহ্নিত করে অভিযান চালিয়ে দুর্বৃত্তদের খুঁজে বের করা হোক। পাশাপাশি দুর্বৃত্তরা কেন এমন করছে কিসের ভিত্তিতে করছে সেগুলোর জবাব নেওয়া হোক এবং তাদের প্রতিহত করা হোক। আমরা চাই সবার জন্য রেলভ্রমণ হোক নিরাপদ।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় মহানন্দা এক্সপ্রেস ট্রেনে আব্দুলপুর থেকে রাজশাহীতে আসার পথে হঠাৎ করে ভুক্তভোগী আজিজের উপর পাথর নিক্ষেপ করা হয়। তাকে প্রথমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আঘাতের স্থানে পাথর কনা থাকার কারণে অপারেশন করা হয়। পাথরটি তার ডান চোখের সাইডে লাগে এবং অল্পের জন্য তার চোখ রক্ষা পায়।