বুধবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক কমিটি (সিন্ডিকেট) সভায় ঐ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী ঐ ১৩ পদে কর্তৃপক্ষ নতুন করে নিয়োগ দিতে পারবে। বিষয়টি একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, ২০১৫ সালে উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে বিদেশে যায়। যথাযথ সময়ে চাকরিতে যোগদান করেনি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা টাকা পরিশোধ করেনি। পাওনা টাকা পরিশোধ করলে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হবে বলে উল্লেখ করেন হুমায়ুন কবির।
আরো পড়ুন> সন্তানদের কটুক্তি থেকে বাঁচাতে ৩৩ বছরে এসএসসি পাস বাবার
.png)
অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি না নিয়ে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে এবং পর্যালোচনা করা হয়েছে।
এছাড়া ফার্মেসি অনুষদের দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ লাখ ৭৬ হাজার টাকা উধাও হওয়ার ঘটনায় উচ্চ তদন্ত ও আলাদা আলাদা তিন মামলার সুপারিশ করেছিল তদন্ত কমিটি। সেই মামলা প্রক্রিয়া অনুযায়ী চলমান রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানান অধ্যাপক হুমায়ুন।