এই বাড়ির অন্দরসজ্জা যে কোনো বিলাসবহুল হোটেলকেও হার মানাবে। জিম, বিউটি পার্লার, সুইমিং পুল, পঞ্চাশটি আসন বিশিষ্ট প্রেক্ষাগৃহ- এ তালিকা দীর্ঘ।
এতো বড় বাড়িতে অম্বানি পরিবার তো থাকেই। সেই সঙ্গে বাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আছেন ৬০০ জন কর্মচারীও। এদের মধ্যে বাড়ির এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তারক্ষীরাও রয়েছেন। তাদের মনোরঞ্জনের জন্য রয়েছে একটি বিশাল হল ঘর। অ্যান্টিলিয়াকে সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখেন এই কর্মীরাই।
.png)
সব কর্মীর প্রতি অত্যন্ত যত্নবান বাড়ির কর্তা। তাদের ভালোমন্দের খবর নিজেই রাখার চেষ্টা করেন। তারা না থাকলে তিনি এবং নীতা এতো নিশ্চিন্তে সব কিছু সামলাতে পারতেন না, বেশ কিছু সাক্ষাৎকারে এমনটা জানিয়েছিলেন রিলায়্যান্স কর্তা।
সূত্রের খবর, একবার বাড়ির ছোট ছেলে আকাশ অম্বানি এক নিরাপত্তারক্ষীকে অসম্মান করেছিলেন। মুকেশ তা জানতে পেরে খুব রাগারাগি করেন। এমনকি, আকাশকে নিয়ে গিয়ে ঐ নিরাপত্তারক্ষীর কাছে ক্ষমাও চাইয়েছিলেন।
বাড়ির কর্মীদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের দিকে সমান নজর অম্বানি-কর্তার। ২৭ তলা বাড়ির একটি তলা তাদের জন্য ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। খাওয়া-দাওয়া থেকে মনোরঞ্জন- কোনো কিছুতেই নিজেদের সঙ্গে কর্মীদের ভেদাভেদ করেন না। প্রত্যেক কর্মীকে জীবনবিমা করে দিয়েছেন।
কর্মীদের অনেকের সন্তানের পড়াশোনার খরচ চালান তিনি। ঐ বাড়ির কর্মীদের মাসিক বেতন জানতে কৌতূহলী অনেকেই। কর্মীদের হাত খুলে বেতন দেন কর্তা। নিরাপত্তারক্ষী থেকে শুরু করে রান্নার পাচক- মাস গেলে অনেকেই বেতন পান দুই লাখ টাকা। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় দুই লাখ ৪৭ হাজার টাকা মতো।
সূত্র: আনন্দবাজার