স্পেন ও পর্তুগালের সীমান্তের কাছে জামোরা প্রদেশে অবস্থিত এই গ্রাম। মাদ্রিদ থেকে সড়ক পথে পৌঁছতে সময় লাগে প্রায় ৩ ঘণ্টা। সালতো দে কাস্ত্রোতে রয়েছে অনেকগুলো অট্টালিকা। অধিকাংশ ছোট স্প্যানিশ শহরেই যে ধরনের বাড়ি দেখতে পাওয়া যায়, এই বাড়িগুলোও সে রকমই।
এর মধ্যে ৪০টি হলো বসতবাড়ি। তা ছাড়া রয়েছে একটি হোটেল, একটি গির্জা ও একটি স্কুল। সমবেত ভাবে ব্যবহার করার মতো একই সুইমিং পুলও রয়েছে এখানে। নিরাপত্তারক্ষীদের থাকার জন্য রয়েছে ব্যারাক বিল্ডিং।
.png)
যে ওয়েবসাইটে বিক্রয়ের কথা জানানো হয়েছে, সেখানে জানানো হয়েছে, ১৯৫০ সালে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদক সংস্থা এই গ্রাম গড়ে তোলে। কাছেই একটি বাঁধ নির্মাণের জন্য এখানে বহু মানুষ কাজ করতেন। ১৯৮০ সাল নাগাদ বাঁধ নির্মাণ শেষ হয়ে গেলে প্রায় সবাই গ্রাম ছেড়ে চলে যান।
সালতো দে কাস্ত্রো কয়েক দশক ধরেই পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। জায়গাটির বর্তমান মালিক ২০০০ সালের শুরুর দিকে গ্রামটি কেনেন। জায়গাটিকে একটি পর্যটনস্থলে রূপান্তরিত করার ইচ্ছে ছিল তার। কিন্তু তারপরই ‘ইউরোজোন সঙ্কট’ দেখা দেয়।
এই সঙ্কটের ফলে এক দেশ থেকে অন্য দেশে বিনিয়োগ করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আর তাতেই ধাক্কা খায় মালিকের পরিকল্পনা। এখন জায়গাটির মালিকের বয়স ৮০ পেরিয়ে গিয়েছে। জমি জায়গা আর সামলে রাখতে পারছেন না তিনি। সেই জন্যই বিক্রির প্রয়াস।
যে সংস্থাটি এই সম্পত্তি বিক্রয়ের বিষয়টি দেখছে, তারা জানিয়েছে এখনও পর্যন্ত রাশিয়া, ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও ব্রিটেনের প্রায় ৩০০ জন গ্রামটি কেনার আগ্রহ দেখিয়েছেন।
সূত্র: আনন্দবাজার