ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, আগামী মাসে গুজরাটে ভোট হবে। ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে আধাসামরিক বাহিনী। তেমনই একটি ক্যাম্পে শনিবার রাতে এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় সহকর্মীর হাতে দুই জওয়ান প্রাণ হারান।
পুলিশ সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি বলছে, যখন গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে তখন জওয়ানরা কেউ কর্তব্যরত ছিলেন না। কোনো বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের কয়েকজনের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। আর সেই থেকেই গুলির ঘটনা ঘটে।
.png)
পুলিশ জানিয়েছে, পোরবন্দরের কাছে ভোটের দায়িত্ব পালনের জন্য মণিপুরের ইন্ডিয়া রিজার্ভ ব্যাটেলিয়ন থেকে আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানদের নিয়োগ করা হয়েছিল। ঘাতক জওয়ানের নাম কনস্টেবল এস ইনাউচা সিং। নিজের কাছে থাকা একে-৪৭ রাইফেল দিয়ে তিনি সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করেন। গুলিতে নিহত দুই জওয়ান হলেন- থোইবা সিং ও জিতেন্দ্র সিং।
গুলিতে আরো দুই জওয়ান আহত হয়েছেন। তারা হলেন- কনস্টেবল চোরাজিৎ এবং রোহিকানা। প্রত্যেকেই মণিপুরের বাসিন্দা। আহত দুইজনের এক জনের পেটে এবং অন্য জনের পায়ে গুলি লেগেছে। প্রাথমিকভাবে তাদের উদ্ধার করে পোরবন্দর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের জামনগরের একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
পোরবন্দরের কালেক্টর ও ঐ জেলার নির্বাচনী কর্মকর্তা এএম শর্মা জানান, ঘটনার সময় ঐ জওয়ানেরা কর্তব্যরত ছিলেন না। নিজেদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডার মধ্যেই আচমকা এক জওয়ানের হাতে থাকা রাইফেল থেকে গুলি চালানো হয়। নিহত ও আহত জওয়ানেরা প্রত্যেকে মনিপুরের ইন্ডিয়া রিজার্ভ ব্যাটেলিয়নের (আইআরবি) সদস্য।
তিনি আরো বলেন, গুজরাটে নির্বাচনের আগে সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের (সিএআরএফ) পাশাপাশি আইআরবির জওয়ানও মোতায়েন করা হয়েছে। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, পোরবন্দরে প্রথম পর্যায়ের ভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১ ডিসেম্বর। পরবর্তী পর্যায়ের ভোট হবে ৫ ডিসেম্বর। আর ডিসেম্বরের ৮ তারিখ ভোটের ফলাফল জানা যাবে।