ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

ইউক্রেনে সতর্কতা সাইরেন, বিভিন্ন শহরে হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৩
ইউক্রেনে সতর্কতা সাইরেন, বিভিন্ন শহরে হামলা
ফাইল ছবি

ইউক্রেনজুড়ে বাজতে শুরু করেছে হামলার সতর্কতা সাইরেন। প্রায়শই ইউক্রেনে হামলার সময় সতর্কতার সাইরেন বাজতে শোনা যায়। তাৎক্ষনিকভাবে ইউক্রেনে বিস্ফোরণের শব্দশোনা গেলেও কোনো হতাহতের বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) ভোররাতে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় দিনিপ্রো, ক্রেমেনচুক ও পোলতাভাতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলো বলছে, দক্ষিণে মাইকোলাইভের পাশাপাশি রাজধানী কিয়েভ এবং আশপাশের অঞ্চলগুলোতেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণের অঞ্চলগুলো পুনরুদ্ধারের জন্য সম্প্রতি বড় পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। ঠিক সেই সময়েই এই জোরালো অভিযান চালানো হলো।

Advertisement

কয়েক সপ্তাহ ধরেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় বাখমুত শহর দখলে তীব্র আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে রুশ বাহিনী। সেখানে ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন ইউক্রেনের সেনারা।

মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি লেফটেন্যান্ট-জেনারেল ইগর কোনাশেনকভ সাংবাদিকদের বলেছেন, দোনেৎস্কের দিকে আক্রমণকারী দলগুলো আর্টেমোভস্ক [বাখমুত] শহরের উত্তর-পশ্চিম, পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চারটি অংশ দখল করে নিয়েছে। বিমানবাহী সৈন্যরা শহরের উত্তর ও দক্ষিণ উপকণ্ঠে শত্রুদের কোণঠাসা করে ফেলেছে।

আরো পড়ুন>> ক্রমেই ডলারের ব্যবহার কমাচ্ছে চীন

এদিকে, ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো টেলিফোনে কথা বলেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও চীনের নেতা শি জিনপিং।

জেলেনস্কি বলেছেন, তাদের মধ্যে দীর্ঘ ও অর্থপূর্ণ আলাপ হয়েছে। অন্যদিকে জিনপিং বলেছেন, বেইজিং সবসময়ই শান্তির পক্ষে। ‌‘সংলাপ ও আলোচনাই’ সংকট থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ।

চীনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, কিয়েভ সব যুক্তিসংগত উদ্যোগই প্রত্যাখ্যান করে আসছে এবং অবাস্তব দাবি তুলে আল্টিমেটাম দিয়ে যাচ্ছে।

জেলেনস্কির সঙ্গে শি জিনপিংয়ের ফোনালাপের পর বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, চীন ইউক্রেনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের অংশ হিসেবে কিয়েভ ও অন্যান্য রাজধানীতে একজন বিশেষ প্রতিনিধি পাঠাবে, যার লক্ষ্য হবে রাজনৈতিক সমাধানের ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা।

এর আগে ইউক্রেনে ব্যাপক হামলা চালায় রাশিয়া। এই হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। তাই রাশিয়ার হামলাকে প্রতিহত করতে পাল্টা হামলার ব্যবস্থা নিচ্ছে ইউক্রেন।

সূত্র: আল-জাজিরা

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরটি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!