মঙ্গলবার হলমার্ক কেলেঙ্কারি রায়ের পর্যাবেক্ষণে বিচারক এ কথা বলেন। হলমার্ক কেলেঙ্কারি দেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে এক বিষ্ময়কর ঘটনা।
এদিন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক মো. আবুল কাশেম দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. তানভীর মাহমুদ ও তার স্ত্রী এবং গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামসহ ৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
.png)
রায়ে তানভীর ও জেসমিনের পেনাল কোডের ৪০৯ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। পাশাপাশি তাদের পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। এছাড়া দণ্ডবিধি ৪২০ ধারায় তাদের সাত বছরের কারাদণ্ডসহ ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া ম্যাক্স স্পিনিং মিলসের হিসাবে সুতা রপ্তানির নামে ৫২৫ কোটি ৬২ লাখ ৯২ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের সুতা রপ্তানি করা হয় বলে নথিপত্রে দেখানো হয়। ওই হিসাবে পুরো অর্থ জমা করা হলে তা থেকে ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা হলমার্কের আরেক ভুয়া প্রতিষ্ঠান অ্যাপারেল এন্টারপ্রাইজের হিসাবে স্থানান্তর করা হয়, যা পরে তানভীর ও তার স্ত্রী তুলে নেন।
২০১২ সালের ৪ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ, পরস্পরের যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থের অপব্যবহার এবং পাচারের অভিযোগে রাজধানীর রমনা থানায় এ মামলা করে দুদক।
২০১৬ সালের ২৭ মার্চ ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা মামলার অভিযোগ গঠন করে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এ বদলির আদেশ দেন।