সোমবার বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০৯ জন চোরাচালানি এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৪৯২ জন বাংলাদেশি নাগরিক ও ১১ জন ভারতীয় নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া ২ হাজার ৫৯৭ জন মিয়ানমার নাগরিককে আটকের পর তাদের নিজ দেশে ফেরত ফেরত পাঠানো হয়েছে।
.png)
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে নভেম্বর মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ অন্যান্য স্থানে অভিযান চালিয়ে মোট ১৭২ কোটি ২ লাখ ৮ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকারের চোরাচালান পণ্যসামগ্রী জব্দ করা হয়েছে।
জব্দকৃত চোরাচালান দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে- ৮ কেজি ৫৭০ গ্রাম সোনা, ১৬ কেজি ৭৯৫ গ্রাম রুপা, ১৫ হাজার ৭০৩টি শাড়ি, ২২ হাজার ৮৪০টি থ্রি-পিস, শার্ট-পিস, চাদর ও কম্বল, ১৪ হাজার ৪০৬টি তৈরি পোশাক, ২৯ হাজার ৫২৯ মিটার থান কাপড়, ২ লাখ ৯০ হাজার ৯০০টি কসমেটিকস সামগ্রী, ৭ হাজার ৬৬১টি ইমিটেশন সামগ্রী, ১৫ হাজার ৬৮৯ ঘনফুট কাঠ, ৬ হাজার ৮২৮ কেজি চা পাতা, ৪ লাখ ১৬ হাজার ৭২৭ কেজি চিনি, ৫ হাজার ৭১৩ কেজি সার, ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩৭০ কেজি কয়লা, ৭২০ ঘনফুট পাথর, ১০০০ ঘনফুট বালু, ৫৯৩টি মোবাইল ডিসপ্লে, ৩৬ হাজার ২২৩টি চশমা, ৮ হাজার ৬২৩ কেজি বিভিন্ন প্রকার ফল, ৪৯ হাজার ৭৫৪ কেজি বাংলাদেশি রসুন, ২২ হাজার ৯১৬ কেজি জিরা, ১টি কষ্টি পাথরের মূর্তি, ১০টি ট্রাক, ১টি বাস, ৭টি পিকআপ, ৬টি প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস, ৭টি ট্রলি, ১৬২টি নৌকা, ৫০টি সিএনজি ও ইজিবাইক, ৭৮টি মোটরসাইকেল, ১১টি ভ্যান গাড়ি এবং ২৩টি বাইসাইকেল।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে- ৬টি পিস্তল, ৮টি গান জাতীয় অস্ত্র, ১টি রাইফেল, ১টি রিভলভার, ৭টি ককটেইল, ৪টি ম্যাগাজিন এবং ৪২১ রাউন্ড গুলি।
এছাড়া নভেম্বরে বিজিবি বিপুল মাদক উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে- ৯ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৬টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ১ কেজি ২৫ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ৬ কেজি ৭৩৭ গ্রাম হেরোইন, ২৩ হাজার ৪৪৯ বোতল ফেনসিডিল, ১৫ হাজার ৫৪৯ বোতল বিদেশি মদ, ৩৯৩ লিটার বাংলা মদ, ৮০৫ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ৩০৯ কেজি গাঁজা, ১ লাখ ২৫ হাজার ১১৪ প্যাকেট বিড়ি ও সিগারেট, ১ লাখ ৫০ হাজার ৯২২টি নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও ইনজেকশন, ৩ হাজার ২৩৯ বোতল ইস্কাফ সিরাপ, ১৮ কেজি ৮৯৮ গ্রাম কোকেন, ৫৯০ বোতল এমকেডিল ও কফিডিল, ১১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৮ পিস বিভিন্ন প্রকার ওষুধ ও ট্যাবলেট, ১৪ হাজার ৪৩৬ টি অ্যানগ্রো ও সেনেগ্রা ট্যাবলেট এবং ২৩ বোতল এলএসডি।