ঘটনার পর রেস্টুরেন্ট মালিক কিংবা ভবন মালিককে খুঁজে পাওয়া যায়নি। গ্যাস লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে ফায়ার সার্ভিস ধারণা করছে।
শুক্রবার ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী এসব কথা বলেন।
.png)
এর আগে সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় লাভলীন বাংলা রেস্টুরেন্টে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের ১২ ইউনিটের চেষ্টায় দুপুর ২টা ২ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমরা ভবনটিতে ফায়ার ফাইটিং- কোনো ইক্যুইপমেন্ট পাইনি। ভনটিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এখানে ফায়ার সেফটি প্ল্যানও নেই। তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে। বহুতল ভবনটি আবাসিক হলেও সেখানে রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।
এদিকে, আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পান, আগুন ডেভলপমেন্ট স্টেজে চলে গেছে। এটা গ্যাস লিকেজ থেকে হতে পারে, সুতরাং নিচের ফ্লোরে গ্যাসের উপস্থিতি ছিল। এখানে অনেক পেট্রোলিয়াম দ্রব্যাদি ছিল। ভবনটিতে রেস্টুরেন্ট, জিম, বিউটি পার্লার রয়েছে। উপরে মানুষের বসবাস ছিল। পাঁচতলা ভবনটির ছয়তলায় (ছাদে) টিনশেড করা ছিল।
তিনি বলেন, এটার একটি মাত্র সিঁড়ি রয়েছে। আমরা বাইরে থেকে বৈদ্যুতিক তারের কারণে টিটিএল (টার্ন টেবল লেডার) সেট করতে পারছিলাম না। তবে আগুন নির্বাপণের পর ভেতরে তল্লাশি করে কাউকে পাওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। ভবনটি থেকে সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।