রোববার সকালে ঝিনাইদহের মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এর আগে সকালে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি হাসপাতালের বহির্বিভাগ, রোগীদের টিকা কার্যক্রম, রান্নাঘর, খাবারের মান, শৌচাগার, স্টোররুম ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মীদের উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়েও খোঁজখবর নেন। হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
.png)
পরিদর্শনকালে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হেলেনা আক্তার নিপা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও চাহিদার কথা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এর মধ্যে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ১০ জন জনবল নিয়োগ, আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সংকট নিরসন, অপারেশন থিয়েটার নিয়মিত চালু রাখা এবং গাইনি, সার্জারি ও অ্যানেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের দাবি জানানো হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে বলেন, মহেশপুরবাসীর চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হবে।
পরিদর্শনকালে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দবির উদ্দিন বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়াসহ হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রী কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি ঝিনাইদহ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত শহিদুল ইসলাম মাস্টারের কবর জিয়ারত করেন।