২৯ বছর বয়সী এই তারকা মিডফিল্ডারের দেহে পেসমেকার স্থাপন করায় ইতালিয়ান লিগের নিয়মানুযায়ী ইন্টার মিলানে খেলার যোগ্যতা হারিয়েছেন। ইতোমধ্যেই অবশ্য পারষ্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে ডিসেম্বরে ইন্টারের সাথে তার চুক্তিও বাতিল করা হয়েছে। এরপর থেকে এরিকসেন ডেনমার্কেই অনুশীলন করছেন।
ড্যানিশ ব্রডকাস্টার ডিআর’এ এরিকসেন বলেছেন, আমি খেলতে চাই, এটাই আমার মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে বিশ্বকাপে খেলা আমার স্বপ্ন। বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পাবো কিনা সেটা ভিন্ন কথা। আমি নিশ্চিত নিজের যোগ্যতা দিয়েই আবারো দলে ফিরতে পারবো।
.png)
তিনি আরো বলেন, এখন আমি নিজের মধ্যে কোন ধরনের পার্থক্য অনুভব করছি না। শারিরীক ভাবে আমি আগের মতই ফিট আছি। বিশ্বকাপে খেলাই এই মুহূর্তে আমার প্রধান লক্ষ্য। যদিও এখনো বেশ কিছু সময় বাকি আছে। সে কারনেই ঐ পর্যন্ত আমি ফুটবল খেলে যেতে চাই।
এরিকসেন যোগ করেন, নিজেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ের জন্য যোগ্য প্রমাণ করতে চাই। আমার স্বপ্নই হলো আবারো জাতীয় দলে ফিরে আসা ও পার্কেনে আবারো খেলতে নামা। পার্কেনে আমার যে দূর্ঘটনাটি হয়েছিল সেটাতো আর বারবার হবে না। আমি প্রমাণ করতে চাই সেই ঘটনা থেকে আমি বেরিতে আসতে পেরেছি।
ইংল্যান্ডে আবারো ফিরে আসার কোন ইচ্ছা আছে নাকি এমন প্রশ্নের উত্তরে সাবেক টটেনহ্যাম মিডফিল্ডার বলেছেন, ‘অবশ্যই আমি সেটা দারুনভাবে উপভোগ করবো। এমন মনে হবে আমি যেন ঘরেই ফিরে আসছি।’
এ সম্পর্কে এরিকসেনের এজেন্ট মার্টিন স্কুটস বিবিসি’কে বলেছেন, ‘ইংল্যান্ডে খেলার সুযোগ পাওয়াটা এরিকসেন ও তার পরিবারের কাছে ঘরে ফেরার মতই ঘটনা হবে। ব্রিটিশ জনগনও এরিকসেনকে দারুণ ভালবাসে। শুধুমাত্র একজন ফুটবলার হিসেবে নয় তার অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, ভদ্রতা তাকে মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
স্পার্স দলে সাত বছর কাটানোর পর ২০২০ সালে এরিকসেন ইন্টারে যোগ দিয়েছিলেন। সিরি-এ ক্লাব ছাড়ার পর শৈশবের ক্লাব ওডেন্স বোল্ডক্লাবে তিনি অনুশীলন শুরু করেন।