সোমবার চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। যেখানে নির্ধারিত ৫০ ওভারে সাত উইকেটে ২৮২ রান করেছে দলটি। এতে আফগানদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২৮৩ রান।
পাকিস্তানের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন আবদুল্লাহ শফিক ও ইমাম উল হক। প্রথম পাওয়ার প্লে-তে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৬ রান যোগ করেন ইমাম ও শফিক। তবে দ্বিতীয় পাওয়ার প্লে শুরু হতেই পাক শিবিরে আঘাত হানে আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তার বলে নাভিন উল হকের তালুবন্দী হন ১৭ রান করা ইমাম।
.png)
ইমাম ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন শফিক। সেই ধারাবাহিকতায় ইনিংসের ১৯তম ওভারে রশিদ খানের বলে দুই রান নিয়ে ব্যক্তিগত অর্ধশতকে পৌঁছান তিনি। চলতি আসরে এটি তার দ্বিতীয় অর্ধশতক।
অবশ্য ফিফটির ইনিংস লম্বা করতে পারেননি শফিক। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচেই শফিককে লেগ বিফরের ফাঁদে ফেলেন নুর আহমেদ। আউট হওয়ার ৫৮ রান করেন তিনি।
এরপর উইকেটে আসেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে উইকেট থিতু হওয়ার আগেই সাজঘরে ফিরেছেন তিনি। তবে সৌদ শাকিলকে নিয়ে ছোট্ট জুটি গড়েন বাবর আজম। কিন্তু সেট হওয়ার পর ড্রেসিংরুমে ফিরে যান শাকিলও (২৫)।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। সেখান থেকে বাবরের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় মেন ইন গ্রিনরা। একই সঙ্গে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩০তম অর্ধ শতক তুলে নেন পাক দলপতি।
দলকে স্বস্তি দিয়ে নিজেই সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফিরে যান পাকিস্তান দলপতি। নুরের বলে আউট হওয়ার আগে ৭৪ রান করেন এ ব্যাটার।
তার বিদায়ে ক্রিজে আসেন ইফতেখার আহমেদ। তাকে সঙ্গে নিয়ে আফগান বোলারদের তুলোধুনো করেন শাদাব। এ জুটির ব্যাট থেকে আসে ৭৪ রান। এতে পাকিস্তানের ইনিংস থামে ২৮২ রানে।
এদিন আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকার করেন নুর আহমেদ।