মামলা সূত্রে জানা গেছে, দারিদ্রতার কারণে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কর্মস্থলে যান। তাদের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে মাঝে মধ্যে খাওয়া-দাওয়া ও খেলাধুলা করতো। ওই প্রতিবেশীর ছেলে ইশতিয়াক চৌধুরী ইফতির মেয়েটিকে গত ৩০ অক্টোবর দুপুরে ধর্ষণ করেন। এ সময় তার বাড়িতে কেউ ছিল না। ওই দিন রাতেই কিশোরীর মা ফ্যাক্টরির কাজ শেষে বাড়ি ফিরলে তাকে ঘটনাটি জানায়।
সোমবার শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলা গ্রহণ করেই পুলিশ ওই দিন রাতেই অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি ইশতিয়াক চৌধুরী ওরফে ইফতিকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
.png)
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম জানান, আসামিকে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে মাদরাসাছাত্রীর জবানবন্দি রেকর্ড ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।