পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটি শহরের রাজবাড়ি এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতেন পূর্ণিমা। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে পূর্ণিমাকে চেতনাহীন অবস্থায় রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান ভাড়া বাসার জমিদারসহ দুই নারী। হাসপাতালে আনার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। তবে মৃত ঘোষণার পর হাসপাতালে নিয়ে আসা ব্যক্তিরা উধাও হয়ে যান।
এ সময় ব্যক্তিগত কারণে হাসপাতালে থাকা স্থানীয় এক সংবাদকর্মী বিষয়টি তাৎক্ষণিক কোতোয়ালি থানা পুলিশকে জানান। এছাড়া দেখেন মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা ‘অজ্ঞাত’ দুই বয়স্ক নারী ও মুখে মাস্ক পরা একজন বয়স্ক পুরুষ নিজেদের মধ্যে ‘বচসা’য় লিপ্ত হন। তারা প্রথমে চিকিৎসকদের মেয়েটি ‘হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে’ ফেলার কথা জানালেও পরে নিজেরাই সটকে পড়েন।
.png)
রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. শওকত আকবর জানান, কলেজছাত্রীর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার ওসি মো. কবির হোসেন বলেন, মৃতের ঘটনা নিয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না। সুরতহাল প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটিত হবে।
পূর্ণিমার কয়েকজন কয়েকজন সহপাঠী জানান, জুরাছড়ির মেয়ে হলেও পূর্ণিমা পড়াশোনার সুবাধে রাঙামাটি জেলা শহরে থাকতেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি নতুন করে বাসা বদলানোর কথা বলতেন। তবে কী কারণে তিনি গলায় ফাঁস দেবে এ নিয়ে কেউ কিছুই জানাতে পারেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেয়েটির সহপাঠীরা বলেন, মেয়েটির সঙ্গে ‘বড় কোনো অন্যায়’ করা হয়েছে। যে বাসায় ভাড়া থাকতেন সেই বাসার মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এবং তার মোবাইল কল রেকর্ড চেক করলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।