স্থানীয় সূত্র জানায়, চলাভাঙ্গা গ্রামের প্রবাসী আল মামুন তার বাড়ির ছাদে ১৮ জোড়া কবুতর পুষতেন। সব কবুতরই ছিল উন্নত ফেন্সি (বিদেশি) জাতের। শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) সকালে আল মামুনের স্ত্রী আমেনা খাতুন খাবার দিতে গিয়ে দেখেন ঘরে কোনো কবুতর নেই। তিনি ধারণা করেন কবুতরগুলো হয়তো চুরি হয়ে গেছে।
সোমবার সন্ধ্যার দিকে আমেনা খাতুন পুকুরে দুটি বস্তা ভাসতে দেখেন। তিনি বিষয়টি প্রতিবেশীদের জানান। পরে তারা এসে বস্তা খুলে দেখেন ভেতরে ইটের টুকরো ও ১৮ জোড়া কবুতর।
.png)
কবুতরের মালিক আল মামুনের ভাই নজরুল ইসলাম বলেন, মানুষের সঙ্গে মানুষের শত্রুতা থাকতেই পারে। তাই বলে অবুঝ পাখিদের এভাবে মেরে ফেলতে হবে। তিনি আরও বলেন, আল মামুন শখ করে কবুতর পুষতেন। বিদেশ থেকে এলে সারাদিন কবুতরের পেছনেই সময় দিতেন। যারা এ কাজ করেছেন তারা অমানুষ।
মামুনের স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, বস্তা খোলার পর কবুতরগুলো এ অবস্থায় দেখে আঁতকে উঠি। বস্তা যাতে ভেসে না ওঠে সেজন্য ইট বেঁধে রাখা হয়েছিল। কবুতরগুলো যদি নিয়েও যেতো তাহলেও কষ্ট কিছুটা কম পেতাম।
আমতলী থানার ওসি কেএম মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি সত্যিই হৃদয়বিদারক। তবে এ বিষয়ে এখনও কেউ অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।