বুধবার দুপুরে তিনি আখাউড়া স্থল বন্দর পরির্দশন করেন। এ সময় তিনি কাস্টমস, বন্দর, ইমিগ্রেশনসহ বন্দরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন।
বন্দরের অবকাঠামো, ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধা- অসুবিধা এসব বিষয়ে খোঁজ খবর নেন। বন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে আমদানি-রফতানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ব্যবসায়ীরাও তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা অবগত করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন কুমিল্লা কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল চৌধুরী, সহকারি কমিশনার সাইফ উদ্দিন মজুমদার, সহকারি কমিশনার সালাহ উদ্দিন রিপন, উপ কমিশনার ফখরুল আমিন।
.png)
জাকিয়া সুলতানা সাংবাদিকদের বলেন, স্থলবন্দরের অবকাঠামো কেমন আছে, ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কি সুবিধা আছে, আরো কি সুবিধা দরকার, কি বাধা আছে, সেগুলো সরেজমিনে দেখার জন্য এসেছি।
তিনি বলেন, বন্দরের অবকাঠামোগত অবস্থা বিবেচনা করে আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়। এ বন্দর দিয়ে অনেক পণ্যই আমদানির অনুমতি আছে। তারপরও ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো বিবেচনা করা হবে।