ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বাঘে ধরে নিয়ে যাওয়ার ১৬ ঘণ্টা পর জেলের ক্ষতবিক্ষত লাশ পেল স্বজনরা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:১২, ২১ ডিসেম্বর ২০২১
বাঘে ধরে নিয়ে যাওয়ার ১৬ ঘণ্টা পর জেলের ক্ষতবিক্ষত লাশ পেল স্বজনরা
বাঘে ধরে নিয়ে যাওয়ার ১৬ ঘণ্টা পর জেলের ক্ষতবিক্ষত লাশ পেল স্বজনরা ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সাতক্ষীরার পশ্চিম সুন্দরবনের পাকড়াতলী খালপারের গহীন জঙ্গলে বাঘে ধরে নিয়ে যাওয়ার ১৬ ঘণ্টা পর কাঁকড়া ধরা জেলে মুজিবর রহমানের ক্ষতবিক্ষত লাশ পেল স্বজনরা।

মঙ্গলবার সকালে পশ্চিম সুন্দরবনের পাকড়াতলী খালপারের গহীন জঙ্গলে আজ  তন্নতন্ন করে খুঁজে জেলের মরদেহ দেখতে পায় বনবিভাগ, কোস্টগার্ড ও টাইগার টিমের সদস্যসহ সঙ্গীরা।

বাঘ জেলে মুজিবরের দেহের একাংশ কামড়ে ও খামচে খেয়ে ফেলেছে। ক্ষতবিক্ষত মরদেহ নিয়ে স্বজনরা ফিরেছে বাড়িতে। মুজিবর রহমানের বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের পারশেমারি গ্রামে।

Advertisement

আরো পড়ুন >>> আড়াই বছরের শিশু চেয়ারম্যান প্রার্থী, ২০০ মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউন!

সোমবার বিকেলে বনের পাকড়াতলী খালে নৌকায় দিনের ক্লান্তি শেষে রান্নার কাজে হাত দিয়েছিলেন কাঁকড়া ধরা জেলে মুজিবর ও তার সঙ্গীরা। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই আকস্মিকভাবে একটি বাঘ হামলা করে নৌকায়। মুজিবরকে থাবা মেরে টেনেহেঁচড়ে শুলোবনের ভিতরে নিয়ে চলে যায় বাঘ।

বিস্ময়ে হতবাক সঙ্গীরা তখন ভয়ে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করতে পারেনি। কিংবা বাঘকে প্রতিহতও করতে পারেনি। কিছু পর থেকেই তারা মুজিবরকে খুঁজতে থাকেন বনের ভিতরে। কিন্তু সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। 

মুজিবর রহমানের সঙ্গী ইসমাইল হোসেন গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।

পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এম এ হাসান জানান, মঙ্গলবার ভোর থেকে বনবিভাগের লোকজন, কোস্টগার্ড ও টাইগার টিমের লোকজন মিলিতভাবে মুজিবরের লাশ খুঁজতে থাকে। অবশেষে সকাল ৮টার দিকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ জঙ্গলে পড়ে থাকতে দেখা যায়। উদ্ধারকারী দল লাশটি উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!