ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

স্বতন্ত্র প্রার্থীর গণসংযোগে হামলা-গুলি, আহত ১০

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৩৪, ২১ ডিসেম্বর ২০২১
স্বতন্ত্র প্রার্থীর গণসংযোগে হামলা-গুলি, আহত ১০
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কুষ্টিয়ার সদর উপজেলায় ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মিন্টু ফকির ও তার কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এমএ মোমিন মণ্ডল ও তার কর্মীদের দায়ী করেছেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলার বটতৈল ইউপির দোস্তপাড়া এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ১০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত তিনজনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

তারা হলেন- খাজানগর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে মনিরুজ্জামান, নিকবার ফকিরের ছেলে রাকিবুল ইসলাম ও মসলেম ফকিরের ছেলে সাইফুল ইসলাম।

আহত মনিরুজ্জামান জানান, আমাদেরকে বিভিন্ন দেশিয় অস্ত্র ও রড-লাঠি দিয়ে হামলা করে। মোমিন মন্ডল ও তার লোকজন আমাদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করে এবং দেশিয় অস্ত্র, লাঠি ও রড দিয়ে বেধড়ক পিটায়।

Advertisement

স্বতন্ত্র প্রার্থী মিন্টু ফকির বলেন, আমরা খাজানগর থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করি। দোস্তপাড়া এলাকায় মোমিন মন্ডলের বাড়ির সামনে পৌঁছলে তার বৈধ লাইসেন্স করা অস্ত্র দিয়ে আমাদের গুলি করেন। মোমিন মন্ডলের সঙ্গে তখন শতাধিক লোক ছিল। তারা দেশিয় অস্ত্র দিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের অনেকে কর্মী আহত হয়েছেন। 

এ  ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন এলাকাবাসী।   

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বটতৈল ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আসন্ন নির্বাচনের প্রার্থী এমএ মোমিন মন্ডলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য প্রথমে বিক্ষুব্ধ জনতাকে লাঠিপেটা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় শতাধিক রাউন্ড টিয়ার সেল ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। 

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) খাইরুল আলম বলেন, ওই এলাকার সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অপ্রীতিকর যে কোনো ঘটনা প্রতিরোধে ওই এলাকায় পুলিশ কাজ করছে। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে তদন্ত করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আগামী ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনে সদর উপজেলার বটতৈল ইউনিয়নসহ ১১টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!