গত ২৮ নভেম্বর ইসলামপুর সদর ইউনিয়নে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মো. আলতাফুর রহমান ১ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচিত হন।
ওই নির্বাচনে মো. আলতাফুর রহমান, পিতা: মো. শাহ আমল শেখ, মাতা: মোছা. আমেনা খাতুন, ভোটের এলাকা গংগা পাড়া, ক্রমিক নম্বর- ২২৮, জন্ম তারিখ-০২/৫/১৯৭৭, ৩৯০৪৯২৬২৫৫৩৩ নম্বর ভোটারে পঞ্চম শ্রেণি পাস দেখানো হয়েছে।
.png)
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ক্রমিক নং-১০০০, জন্ম তারিখ-০১/০১/১৯৮০ ও এনআইডি ৩৯০৪৯২০০০৪৬৬ নম্বরে তার আরো একটি ন্যাশনাল আইডি রয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, তিনি এলাকার মানুষকে বোকা বানিয়ে দুইটি এনআইডি কার্ড ব্যবহার করছেন। নির্বাচনেও তিনি দুটি ভোট দিয়েছেন। হলফনামায় দুই ভোটের তথ্য গোপন করে মেম্বারও নির্বাচিত হয়েছেন।
দুইবার ভোট দেওয়ার কথা অস্বীকার করে আলতাফুর রহমান বলেন, আমার যে দুইটি এনআইডি কার্ড রয়েছে, তা আমি নিজেও জানতাম না। নির্বাচনের পর আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে একটি এনআইডি কার্ড বাতিলের আবেদন করেছি।
ইসলামপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হোসনে আরা জানান, এক ব্যক্তি দুইবার ভোটার হওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। নির্বাচনের সময় প্রার্থীতা যাচাই-বাছাইয়ের সময় কেউ বিষয়টি উপস্থাপন না করায় তার প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এখন বিষয়টি জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ নেয়া হবে।