জেলা প্রশাসক বলেন, সৈকতের এ জোনে নারী ও শিশুরা বিশেষ সুরক্ষায় থাকবে। ফলে এ জোন থাকবে আনন্দমগ্ন। পর্যটনবান্ধব কক্সবাজার গড়ে তুলতে আমরা সবাই কাজ করছি। ছোট ছোট উদ্যোগগুলো পর্যটনশিল্পকে এগিয়ে নিতে বড় ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরো বলেন, এ জোনে নারী ও শিশুরা তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। নির্বিঘ্নে সমুদ্রে গোসল করতে পারবে। পুলিশ ও বিচকর্মীরা এ জোনের নিরাপত্তায় কাজ করবেন।
.png)

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, সৈকতে বেশি ঝুঁকিতে থাকে নারী ও শিশুরা। এবার সেই ঝুঁকি কমবে।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ পর্যটনকে আরো বেগবান করবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, লাবনী পয়েন্টের ঝিনুক মার্কেট সংলগ্ন এলাকা থেকে দক্ষিণে দেড়শ মিটার উর্মি রেস্টুরেন্টের শেষ মাথা পর্যন্ত লাল পতাকা দিয়ে ঘিরে রেখেছে প্রশাসন। দুইপাশে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিচকর্মী ও ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যরা মাইকিং করে জানাচ্ছেন, এ জোনে একক পুরুষ সদস্যের প্রবেশ নিষেধ। সে সময় নির্ধারিত জোনে নারী ও শিশুদের তেমন উপস্থিতি দেখা না গেলেও জোনের উত্তর ও দক্ষিণে প্রায় হাজার পাঁচেক নারী, শিশু ও পুরুষ পর্যটক সমুদ্রস্নান ও ঘোরাফেরা করছেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) সৈয়দ মুরাদ ইসলাম, ট্যুর অপারেটর অ্যাসেসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ার কামাল প্রমুখ।