রোরবার দুপুরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে থার্টি ফাস্ট নাইটে ফতুল্লার মাসদাইর বাজারে এ ঘটনায় শনিবার রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় এসআই শাহাদাত হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। ওই মামলায় পুলিশ ৩৫ জনের নাম উল্লেখ্য সহ অজ্ঞাত ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলায় গ্রেফতাররা হলেন মাহাবুব ওরফে লাভু (৩৫) ও হাসিবুর রহমান সাব্বির (৩৪)।
.png)
পলাতকরা হলেন নাসির কসাইয়ের দুই ছেলে সেলিম কসাই, তার ছোট ভাই রাসেল, রসা কসাইয়ের ছেলে শাওন, আছাস কসাইয়ের ছেলে আল আমিন, নুরু মিয়ার ছেলে রাকিব, কামালের ছেলে রাজিব, জুলহাসের ছেলে সানি, চুন্নুর ছেলে সাগর, মৃত.মানিকের ছেলে বাবু, মোহাম্মদ আলীর ছেলে জাহিদ, লেবু মিয়ার ছেলে ফেরদৌস, মতি মিয়ার ছেলে ফয়সাল, আয়ুব আলীর ছেলে বাবু, পুকু মিয়ার ছেলে শাকিল, মো. দোলন, রানা, কৃসনা, হৃদয়, জুয়েল, রাজু, রুবেল, ইট্রু রিপন, শাহিন, ফরহাদ, নাসির কসাই, পারভেজ, পোড়া কাকন, শাহীন, ডিবজল, মামুন, পাভেল, ডিব্বা হালিম, সঞ্জয় সহ ১৫০ জন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, ১ জানুয়ারি রাত সোয়া ১টার দিকে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোনে জানানো হয়, ফতুল্লার মাসদাইর বাজার এলাকায় সন্ত্রাসী কাকন, সেলিম কসাই ও শাওন কসাই গ্রুপ থার্টি ফাষ্ট নাইট পালন করতে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ মাসদাইর বাজারে এসে উভয় গ্রুপকে শান্ত করেন। পরে রাত সোয়া ২টার দিকে আবার কাকন, সেলিম কসাই ও শাওন কসাই গ্রুপ জনবল বাড়িয়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র হাতে ইটপাটকেলসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপ মাসদাইর বাজারে পথচারীদের যানবাহন ভাঙচুর করে। এ সময় এসআই শাহাদাত হোসেন ও তার সঙ্গীয় কনেস্টেবল জুয়েল, সজিব ও তাদের বহনকৃত সিএনজি চালক রিয়াজ হোসেন ইট পাটকেলের আঘাতে আহত হয় এবং তাদের সিএনজির সামনের গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এ সময় পুলিশ চার রাউন্ড গুলি ছুড়ে আত্মরক্ষা করেন। তখন অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, মামলা হয়েছে। দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।