ঢাকা,  সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

চট্টগ্রামে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:৪৬, ১০ জানুয়ারি ২০২২
চট্টগ্রামে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে স্ত্রী হত্যার দায়ে আলেক শাহ নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আলেক শাহ নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার চিতুলিয়া এলাকার শন্তু মিয়ার ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের পিপি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ১১ জনের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে স্ত্রী হত্যার দায়ে আলেক শাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়াও তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন >>> মাসকাসক্তদের যৌন নির্যাতনকারী বাঁধনকে ‘ধর্ষক’ আখ্যা দিলো সচেতন তরুণরা

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৫ অক্টোবর রাতে নগরীর ইপিজেড থানার ওয়াসা গলি আম্বিয়া ভবনে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী আশা মনিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন আলেক শাহ। পরে লাশটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানোর পাশাপাশি আলেক শাহকে আটক করে পুলিশ।

ওই ঘটনায় একইদিন নিহতের মা ইপিজেড থানায় মামলা করেন। পরে ৬ ডিসেম্বর আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ।

এর আগে, গত ৮ নভেম্বর একই অপরাধে রিন্টু বড়ুয়া নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয় চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ অশোক কুমার দত্তের আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত রিন্টু বড়ুয়া রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী এলাকার ডা. কমল কান্তি বড়ুয়ার ছেলে। তার স্ত্রী রুমি বড়ুয়া শিক্ষিকা ছিলেন।

আরো পড়ুন >>> অর্ধেক যাত্রীতে ভাড়া বাড়বে কি না জানালেন পরিবহন নেতারা

জানা যায়, ২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি রিন্টু ও রুমির বিয়ে হয়। শুরুতে তাদের দাম্পত্য জীবন বেশ ভালোভাবে কাটতে থাকলেও ধীরে ধীরে শুরু হয় ঝগড়া-বিবাদ। বিভিন্ন অজুহাতে রুমিকে মারধর করতেন রিন্টু। একপর্যায়ে করেন হত্যার পরিকল্পনাও।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৭ সালের ১৩ আগস্ট রাত সাড়ে ১২টার দিকে রুমিকে ছাদে নিয়ে যান রিন্টু। সেখানে অ্যান্টিকাটার দিয়ে রুমির ঘাড়ে বারবার আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

পরদিন ১৪ আগস্ট রুমির ভাই মনোজ কান্তি বড়ুয়া রাঙ্গুনিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় ১৭ আগস্ট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন রিন্টু। ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রিন্টুর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদালত।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!