ঘুমন্ত স্বামীর পাশ থেকে স্ত্রী নিখোঁজ, ছয়দিন পর ভেসে উঠলো মরদেহ
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার নগরবোয়ালিয়া গ্রামে রাতে নিখোঁজের ছয়দিন পর পপি খাতুন নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার বিকেলে ঐ গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদীর পানি থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ধারণা করছে, ধর্ষণ শেষে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহটি নদীর পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গৃহবধূর স্বামী ও প্রতিবেশী এক যুবককে আটক করেছে হাটবোয়ালিয়া ফাঁড়ি পুলিশ।
.png)
আটককৃতরা হলেন- নগরবোয়ালিয়া গ্রামের তুহিন আলী ও তার ব্যবসায়িক পার্টনার প্রতিবেশী যুবক ঝন্টু আলী।
আলমডাঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) তুহিনুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, প্রায় ১১ বছর পূর্বে নগরবোয়ালিয়া গ্রামের তুহিন আলীর (৩২) সঙ্গে বেলগাছি গ্রামের নূর ইসলাম ভোলার মেয়ে পপি খাতুনের বিয়ে হয়। ১৯ জানুয়ারি রাতে ঘুম ভাঙলে স্ত্রী পপি খাতুনকে খুঁজে পাননি তুহিন আলী। তারপর থেকে গৃহবধূ নিখোঁজ ছিলেন। ছয়দিন পর বাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে নিজ গ্রামের ভেতরে প্রবাহিত মাথাভাঙ্গা নদীর পানিতে মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। মরদেহ ভাসার খবর থানায় জানালে জানালে পুলিশ বিকেলে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র বলছে, নিহত গৃহবধূর স্বামী সহজ-সরল। প্রতিবেশী মাছ ব্যবসায়ী যুবক নেক আলীর সঙ্গে নিহত গৃহবধূর সম্পর্ক ছিল বলে গুঞ্জন রয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে নেক আলী নিরুদ্দেশ। তার ব্যবহৃত মোবাইল বন্ধ।
আলমডাঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) তুহিনুজ্জামান জানান, গৃহবধূকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর হত্যার কারণ উন্মোচন হবে।