এমন অবস্থা ময়মনসিংহ নগরীর বিদ্যাময়ী স্কুলের পেছনের সড়ক ঘেঁষে প্রবাহিত হওয়া শত বছরের ঐতিহ্যবাহী মাকরজানি খালের। গত একযুগ ধরেই খালটিকে গিলে খাচ্ছে দখলবাজ ও ময়লার স্তুপ। এ খাল দিয়ে এখন দ্রুতগতিতে পানি ভাটির দিকে যেতে পারে না। যার কারণে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে সৃষ্ট হয় জলাবদ্ধতা। অথচ বছর বিশেক আগেও খালে ছিল স্বচ্ছ পানির প্রবাহ। মিলতো নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ। যা এখন নগরবাসীর কাছে এক স্মৃতিময় দীর্ঘশ্বাস।

.png)
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন খাল দখলদারদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাও করেছে। কিন্তু এরপর আবার একই স্টাইলে দখলবাজিতে মেতে ওঠে প্রভাবশালী চক্রটি। সম্প্রতি খাল দখল করায় প্রভাবশালী প্রকৌশলী আব্দুর রহিমকে দুই দফায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে সিটি কর্পোরেশন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ শহরের পানি নিষ্কাশনের অন্যতম মাকরজানি খালের দৈর্ঘ্য আনুমানিক ৫ কিলোমিটার। এ খাল সিটি কর্পোরেশনের পেছন থেকে শুরু হয়ে বিদ্যাময়ী স্কুল, নতুন বাজার লেভেলক্রসিং, হরিজন পল্লী, নওমহল, নন্দীবাড়ী, বুচারপুল হয়ে আকুয়া চুকাইতলা এলাকায় গিয়ে শেষ হয়েছে। মূলত বর্ষা মৌসুমে শহরের মূল অংশের পানি এ খাল হয়ে ভাটির দিকে চলে যায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে ভরাট হতে হতে খালটি এখন মৃতপ্রায়।
জানতে চাইলে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, দখলদারদের কোনোভাবে ছাড় দেয়া হবে না। তবে শুধুমাত্র আইন প্রয়োগের মাধ্যমে দখলবাজদের আটকানো সম্ভব নয়। সুনাগরিক হিসেবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে। নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের এ বিষয়ে দায়িত্বও রয়েছে।