বৃহস্পতিবার ভোরে রায়পুরা উপজেলার অলিপুরা ইউপির সাহেবনগর পলাশতলী মোড়ে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, গত দুই বছর আগে উপজেলার অলিপুরা ইউপির সাহেবনগর গ্রামের প্রয়াত জুলমত প্রধান বাড়ির সিরাজুল ইসলাম শিরু ও প্রতিবেশী এলাকা একই উপজেলার উত্তরবাখরনগর ইউপির রতনপুর গ্রামের শমসু বাড়ির খলিল মিয়ার লোকজনের মধ্যে পাখির বাসা ভাঙা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ সময় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
.png)
এ ঘটনার কিছুদিন পর গ্রাম্য সালিশের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সিরাজুল ইসলাম শিরুর পক্ষকে এক লাখ টাকা জরিমানা পরিশোধ করেন রতনপুর গ্রামের খলিল মিয়ার লোকজন। উক্ত মিমাংসিত ঘটনার প্রায় দুই বছর পরে বৃহস্পতিবার লাখ টাকা জরিমানার পরে এবার হাতের কব্জী দিতে হলো একই পক্ষের আব্দুর রহমান নামে দুই সন্তানের জনককে। তিনি নরসিংদীর থার্মেক্স গ্রুপের ডায়িং এর কাজ করতেন।
আহত রহমানের মা সালমা বেগম জানান, পাখির বাসা ভাঙা নিয়ে প্রায় দুই বছর আগে আমাদের সাথে পার্শ্ববর্তী গ্রামের সিরাজুল ইসলাম শিরুর লোকজনের ঝগড়া হয়। পরে পাল্টাপাল্টি মামলাও হয়। পরে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে আমাদেরকে এক লাখ টাকা জরিমানা দিতে হয়েছে। এতদিন সবাই সুন্দরভাবে চলাফেলা করে আসছি। আজ ভোরে হঠাৎ একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করে (প্রতিপক্ষ সমর্থক) সাদ্দাম হোসেন কাজে যাওয়ার কথা বলে আমার ছেলেকে ডেকে নিয়ে যায়। এর ঘণ্টা খানেক পরে সাহেবনগর পলাশতলী মোড়ে আব্দুর রহমানকে বাম হাতের কব্জি কাটা অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে। পরে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। উক্ত ঘটনার পরে অভিযুক্ত প্রতিপক্ষের বাড়িতে গিয়ে কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে রায়পুরা থানার ওসি তদন্ত গোবিন্দ সরকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এখনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।