কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী জানান, মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। রাস্তায় উল্টে পড়া ১৭ টনের এলপিজিবাহী ট্রাকটি ক্রেন দিয়ে সরানো হয়েছে। ট্রাকটি অপসারণ করায় দীর্ঘ ৩১ ঘণ্টার বেশি সময় পর এ মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হলো।
স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ৩১ ঘণ্টা ধরে এলপিজিবাহী ১০ চাকার একটি ট্রাক মহাসড়কে আড়াআড়িভাবে উল্টে থাকায় উভয় দিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র যোগাযোগের এ মহাসড়কটির দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে এ মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েক হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
.png)
পরে কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও পাবনা থেকে আসা ক্রেনের চালকসহ কর্মীরা মহাসড়কটি সচল করতে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রায় ৩১ ঘণ্টা পর যান চলাচল শুরু হয়।
এর আগে, রোববার বিকেলে বাগেরহাটের মোংলা বন্দর থেকে এলপিজিবাহী বেক্সিমকো ফার্মার ১০ চাকার একটি ট্রাক নাটোর যাচ্ছিল। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ট্রাকটি কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কের মিরপুর উপজেলার বহলবাড়িয়া এলাকায় ভাঙাচোরা সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। ট্রাকটি সড়কে আড়াআড়িভাবে উল্টে থাকায় উভয়দিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ৩২ জেলার মানুষের একমাত্র যোগাযোগের এ মহাসড়কটির দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
মহাসড়কটিতে দীর্ঘ যানজটে বন্ধ থাকার কারণে উভয় পাশে কয়েক হাজার ট্রাক ও পণ্যবাহী গাড়ি আটকে পড়ে। বিকল্প ছোট পকেট রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল ওই রুটে চলাচলকারী যানবাহন। এতে ভারী যানবাহন চলাচল করায় মিরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সড়ক ভেঙে ও দেবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কটি বন্ধ থাকার কারণে উভয়পাশে কয়েক হাজার ট্রাক ও পণ্যবাহী গাড়ি আটকে পড়েছিল। প্রায় ৩১ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।