বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কসবা ইউনিয়নের আখিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুড়ে গরুগুলোর মালিক ঐ গ্রামের সমির উদ্দিনের ছেলে সলেমান।
ক্ষতিগ্রস্ত খামারি, স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বাড়ির সঙ্গে লাগানো সলেমানের খামারে আগুন লেগে সবগুলো গরু মারা গেছে। গরুর খামারে মশা তাড়ানোর ধোঁয়া থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
.png)
মশা তাড়ানোর ধোঁয়া থেকে পরবর্তীতে বৈদ্যুতিক সংযোগের সঙ্গে সূত্রপাত ঘটে আগুন লেগেছে। পরে স্থানীয়রা খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া গরুর মধ্যে রয়েছে তিনটি বড় ষাড়, ২২টি শাহীওয়াল বড় বকনা ও দুটি বাছুর। এতে আনুমানিক ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তবে ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় খামারের বাইরে কোথাও আগুন ছড়াতে পারেনি। পরে অতিরিক্ত এসপি (গোমস্তাপুর সার্কেল) শামছুল আজম, ইউএনও শরীফ আহম্মেদ, নাচোল থানার ওসি মিন্টু রহমানসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মামুন আলী বলেন, হঠাৎ আগুনের খবর পেয়ে উপস্থিত হয়ে দেখি মুহূর্তেই সবগুলো গরু আগুনে পুড়ে গেছে। খামারের একটি গরুও জীবিত নেই।
কসবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম জাকারিয়া জানান, খামারে মশা তাড়ানোর জন্য খড়ের ধোঁয়া দিয়ে নামাজ পড়তে যান খামারের মালিক সলেমান। পরে দেখতে পাই তার গরুর খামারে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। পরবর্তীতে আগুন বৈদ্যুতিক সংযোগের সঙ্গে সূত্রপাত ঘটে।
নাচোল থানার ওসি মিন্টু রহমান বলেন, আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোমস্তাপুর সার্কেল পরিদর্শন করেছেন। ২৭টি গরু মারা যাবার পর বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
নাচোল ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার ইব্রাহিম আলী জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম পাঠানো হয়। পরে ২০ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে গরু ছাড়া আর কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
নাচোলের ইউএনও শরীফ আহম্মেদ বলেন, আগুন লাগার খবর শুনে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। খামারের সবগুলো গরু মারা যাবার বিষয়টি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিকে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সহায়তা করা হবে।