ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশু সায়াদ বৃহস্পতিবার আনুমানিক সকাল ৭ঘটিকা ঘুম থেকে উঠে ঘর থেকে বের হয়। প্রতিদিনের মতো প্রতিবেশী মিজান মিয়ার মেয়ে মোফাসসিরার (সমবয়সী) সঙ্গে খেলা করে সায়াদ। খেলা শেষে প্রতিদিন ঘরে ফিরলেও এ দিন আর ঘরে ফিরেনি শিশু সায়াদ। সায়াদ নিখোঁজের পর থেকে মা নির্বাক বাকরুদ্ধ কান্নায় বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।
শিশুর দাদী রোকেয়া বেগম বলেন, আমার নাতি প্রতিদিনের মতো মিজানের মেয়ের সঙ্গে বৃহস্পতিবারও ঘুম থেকে উঠে খেলতে যায়। পরে আর ফিরে আসেনি। নাতিকে দ্রুত জীবিত ফিরে পেতে চাই।
.png)
তিনি আরো বলেন, প্রতিবেশী মিজানের স্ত্রী তাসলিমা দীর্ঘদিন ধরে এক ছেলের সঙ্গে পরকীয়া করে আসছে। আমার ধারণা আমি তার খারাপ কাজে বাধা দেওয়াই আক্রোশ করে সে আমার নাতি সায়াদকে গুম করেছে। আমি আমার নাতিকে ফেরত চাই, একথা বলেই তিনি কান্নাই ভেঙে পড়েন।
মরজাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন, গত বৃহস্পতিবার এলাকায় শিশুটির সন্ধান চেয়ে মাইকিং করা হয়েছে।
রায়পুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোবিন্দ সরকার জানান, খবর পেয়ে গত রাতেই রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুর রহমান ও তার সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। শনিবার বিকেল পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ শিশুটিকে দ্রুত খুঁজে বের করতে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।