মঙ্গলবার দুপুরে ওই প্রেমিকার মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে সোমবার সকালে মিরাশপাড়া নদীবন্দর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেফতাররা হলেন- টঙ্গীর মিরাশপাড়া এলাকার জাবেদ মিয়ার ছেলে শাওন, নবীন হোসেনের ছেলে নাদিম হোসেন এবং গাজী সালাউদ্দিনের ছেলে গাজী সাকিবুজ্জামান সিয়াম।
.png)
ওই প্রেমিকা বলেন, শাওন আমার পূর্বপরিচিত। কয়েক মাস আগে আমার বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে মিরাশপাড়া এলাকার একটা ভাড়া বাসায় থাকি। সোমবার সকালে ফোন করে শাওন আমার সঙ্গে দেখা করতে চান। শাওনের কথামতো দেখা করতে গেলে একটি ঘরে নিয়ে যান। পরে সেখানে চোখ বেঁধে শাওনসহ তিনজন ধর্ষণ করেন। একই সঙ্গে শাওন মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। ঘটনাটি কাউকে জানালে ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
টঙ্গী পূর্ব থানার এসআই সাব্বির হোসেন জানান, গ্রেফতার শাওনের সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সোমবার সকালে ভুক্তভোগীকে ফোন করে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান শাওন। পরে শাওন ও সহযোগীরা ওই ভুক্তভোগী নারীকে ধর্ষণ ও মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন।
তিনি আরো জানান, ভুক্তভোগী নারী বাসায় ফিরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানালে তিন যুবককে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ধর্ষণের পর মোবাইলে ভিডিও ধারণের কথা স্বীকার করেছেন।