শনিবার দুপুরে উপজেলার বেলতৈল ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের পাশে করতোয়া নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ৩০ বছর বয়সী শরিফুল একই ইউনিয়নের আগনুকালী গ্রামের আবুসামার ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, ৯ জানুয়ারি রাতে শ্বশুরবাড়ি চর-বেতকান্দিতে যান শরিফুল। এদিন স্ত্রী ফারজানা খাতুনের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ হন। নিখোঁজের চারদিন পর বৃহস্পতিবার সকালে শরিফুলের রক্তমাখা জামা-কাপড় পান প্রতিবেশীরা। শনিবার সকালে করতোয়া নদীতে তার হাত-পা বাঁধা লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন আশপাশের লোকজন। পরে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
.png)
নিহতের মা বলেন, দেড় মাস আগে শরিফুলের সঙ্গে ফারজানার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই শরিফুলকে পছন্দ করতেন না ফারজানা। স্বামীকে কোনোভাবেই সহ্য করতে পারতেন না তিনি। একপর্যায়ে বাবার বাড়ি চলে যান। স্ত্রীকে আনতে শরিফুলও শ্বশুরবাড়ি যান।
শাহজাদপুর থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম মৃধা বলেন, এটি হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।