ঢাকা,  সোমবার   ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতিচেষ্টার খবর ভিত্তিহীন

খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:৫৯, ৫ অক্টোবর ২০২৬
সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতিচেষ্টার খবর ভিত্তিহীন
সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতিচেষ্টার খবর ভিত্তিহীন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি টোয়াসের। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির চেষ্টার খবরকে ভিত্তিহীন, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন (টোয়াস)।

সংগঠনটির দাবি, প্রকাশিত ঘটনার সঙ্গে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের কাছ থেকে সন্দেহজনক একটি নৌযানের খবর পেয়ে বন বিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। পর্যটন মৌসুম শুরুর মুখে এমন সংবাদ সুন্দরবনের পর্যটনশিল্পে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

সোমবার (৫ অক্টোবর)  খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন টোয়াসের সাধারণ সম্পাদক শাহ জামান খান পপুল। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে প্রকাশিত সংবাদ প্রত্যাহার করে দুঃখ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে।

Advertisement

টোয়াসের ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট এলাকার ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা তাদের জানিয়েছেন, রাত ৯টার দিকে স্থানীয় জেলেরা একটি সন্দেহজনক নৌযান চলাচলের খবর দেন। পরে বন বিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন। তবে ওই নৌযানের সঙ্গে কোনো ট্যুরিস্ট জাহাজের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। ওই কর্মকর্তা কোনো গণমাধ্যমকে এ বিষয়ে সাক্ষাৎকার দেননি বলেও টোয়াসকে জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আলোচনায় আসা ওয়েব কুইন ও আরএনজি জাহাজের প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়। টোয়াসের সদস্য তাকির বলেন, ঘটনার রাতে তাদের জাহাজে ৪৫ থেকে ৫০ জন পর্যটক ছিলেন। রাত ১১টার দিকে পশুর নদীতে পৌঁছানোর সময় অন্য একটি জাহাজ থেকে জানতে চাওয়া হয়, তারা কোনো বিপদে পড়েছেন কিনা বা গুলির শব্দ শুনেছেন কিনা। তারা কোনো গুলির শব্দ, চিৎকার বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি টের পাননি।

তার ভাষ্য, ওই সময় আশপাশে অনেক জেলে নৌকা ও মাছ ধরার ট্রলার ছিল।

টোয়াস নেতারা বলেন, সুন্দরবনের পেরিফেরি এলাকায় স্থানীয় জেলে ও দস্যুদের মধ্যে বিরোধ বা সংঘাতের ঘটনা ঘটতে পারে। বন বিভাগের সদস্যরা এসব ঘটনায় নিয়মিত ব্যবস্থা নেন। তবে এমন ঘটনাকে পর্যটনকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে উপস্থাপন করলে সুন্দরবন নিয়ে অযথা আতঙ্ক তৈরি হতে পারে।

তারা জানান, দুই থেকে তিন দশক ধরে তারা সুন্দরবনে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। পর্যটকবাহী জাহাজে বন বিভাগের সদস্য ও নিরাপত্তারক্ষীরা থাকেন এবং রাতে সাধারণত বন বিভাগের কার্যালয়ের কাছাকাছি অবস্থান করেন।

টোয়াসের দাবি, সুন্দরবনের পর্যটনের সঙ্গে স্থানীয় অর্থনীতি ও দেশের পর্যটন ভাবমূর্তি জড়িত। তাই কোনো ঘটনা প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/খুলনা/জেডআই
ট্যাগ: খুলনা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!