পথনাটকটি সকলের জন্য উন্মুক্ত ছিল, নাটক শেষে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ সমবেত সংগীত পরিবেশনা করেন সাংস্কৃতিক সংসদের সদস্যগণ।
নাটকটির সামগ্রিক নির্দেশনায় ছিলেন প্রমিতি কর্মকার এবং নেওয়াজ শরীফুল হক। নাটকে অংশগ্রহণ করেছেন নয়ন দাস হৃদয়, নূর-ই-তাজ জাহান তন্বী, মেরীয়েন দাশ, মো. তানজিম আহমেদ, তানিয়া মুস্তারী, ফাইরুয, সাকিব খান, অঙ্কন জয়া দাস, বিজয়া বৃষ্টি, তালহা জাহান প্রান্ত, কলিনা দাস লাবণ্য, তাহমিনা তাজ, জয়ন্ত ভৌমিক এবং দেবজ্যোতি বিশ্বাস।
.png)
তরুণ সংস্কৃতিকর্মী প্রমিতি এবং নেওয়াজ বলেন, একুশের ইতিহাসকে পুনরায় দৃশ্যায়নের মধ্য দিয়ে আমাদের প্রজন্মকে নিজ ইতিহাস ও ভাষার মাহাত্ম্য স্মরণ করিয়ে দিতে আমাদের এই উদ্যোগ। নিজেদের ইতিহাসকে তুলে ধরার দায়িত্ব আমাদেরই।
ডিইউসিএসের সভাপতি হিল্লোল শেখর সমদ্দার বলেন, একুশ আমাদের গর্ব, একুশ আমাদের অহংকার। একুশ আমার মাথা নিচু না করার পাহাড়সম সাহস। মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার এনে দিতে যে সূর্যসন্তানরা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আমাদের এই বিশেষ নিবেদন।
সাধারণ সম্পাদক শিশির মাহমুদ এই আয়োজন সম্পর্কে বলেন, ভাষা এবং সংস্কৃতি পরস্পরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই ভূখণ্ডে সংস্কৃতিকর্মীরা সবসময়ই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ জানিয়ে এসেছে। ১৯৫২ এর ফেব্রুয়ারিতে তারুণ্য যেভাবে নিজস্ব ভাষার সম্মান রক্ষায় যেভাবে জাগরিত হয়েছিল, আমরা আশা রাখি আমাদের তরুণদের মাঝে সেই সাহস এবং সেই সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ প্রতিফলিত হবে। অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে আমরা আবেদন জানাতে চাই নিজের অবস্থান মূল্যায়ন করে অনুধাবন করুন, আপনার পরিচয় ও আপনার সংস্কৃতি চর্চায় সুস্থ ধারা সংরক্ষণে আপনি আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সচেষ্ট কিনা।