সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির বেশিরভাগ তথ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় বেঙ্গালুরুতে হওয়ায় প্রকৌশলীর সংখ্যা বাড়ছে শহরে। বেঙ্গালুরুকে ভারতের সিলিকন ভ্যালিও বলা হচ্ছে। তাই শহরটিতে বাসা ভাড়ার চাহিদা কয়েক গুণ বেড়েছে।
এক ব্যক্তি টুইট করে জানিয়েছেন, দ্বাদশ শ্রেণিতে কম নম্বর পাওয়ায় বাসা ভাড়া দেয়া হয়নি বেঙ্গালুরুতে।
.png)
শুভ নামের ওই টুইটার ব্যবহারকারী একটি হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের স্ক্রিনশট পোস্ট করেছেন। সেখানে দেখা যায়, কম নম্বর পাওয়ায় বাসা ভাড়া চেয়ে বিমুখ হওয়ার ঘটনাটি ঘটে। শুভ জানান, তার এক চাচাত ভাইয়ের সঙ্গে এমনটি ঘটেছে।
আরো পড়ুন>> চলন্ত মেট্রোরেলে যুবকের অশ্লীল কাণ্ড
এতে দেখা যায়, কথোপকথনের শুরুতে ভাড়াটিয়ার কাছে তার লিঙ্কড ইন প্রোফাইল, চাকরির যোগদানপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির নম্বরপত্র চেয়েছেন মধ্যস্থতাকারী। সেগুলো সরবরাহ করা হয়।
এরপর মধ্যস্থতাকারী মেসেজে জানান, মালিক তাকে বাসা ভাড়া দেবে না। কারণ দ্বাদশ শ্রেণিতে তিনি ৭৫ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন। বাসার মালিক চান, তার ভাড়াটিয়া যেন অন্তত ৯০ শতাংশ নম্বরধারী হোন।
বেঙ্গালুরুতে বাড়ির মালিকরা অনেক অপ্রয়োজনীয় তথ্য এবং উচ্চ ভাড়া চাওয়ায় ভাড়াটিয়াদের সমস্যা দিন দিন বাড়ছে।
স্থানীয় বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সম্পত্তি মূল্যের অনুপাতে ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ের চেয়েও বেঙ্গালুরুর বাড়ির মালিকরা বেশি ভাড়া নিচ্ছেন।