ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বয়স জালিয়াতি করে মেম্বার হয়েও বেকাদায় জাহাঙ্গীর

নরসিংদী প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: ১১:২৮, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১
বয়স জালিয়াতি করে মেম্বার হয়েও বেকাদায় জাহাঙ্গীর
অভিযুক্ত এসএম জাহাঙ্গীর প্রধান

স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) বয়স জালিয়াতি করে মেম্বার পদে জয়ী হওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক প্রার্থীর বিরুদ্ধে।

নরসিংদীর বৃত্তর রায়পুরা উপজেলার পলাশতলী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এ জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে পরাজিত মেম্বার প্রার্থী কবির হোসেন মীর জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর অভিযোগ করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গেছে, গত ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত রায়পুরার পলাশতলী ইউপি নির্বাচনে ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মেম্বার পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে জয়ী হন এসএম জাহাঙ্গীর প্রধান। তিনি একই ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের সরুজ মুন্সির ছেলে।

Advertisement

জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বয়স জালিয়াতি করে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। তার জালিয়াতির বিষয়টি প্রথমে পরাজিত মেম্বার প্রার্থী কবির হোসেন মীরের নজরে আসে। জাতীয় পরিচয়পত্রে জাহাঙ্গীরের জন্ম তারিখ ১২ মে ১৯৯৮। সেই অনুসারে তার বর্তমান বয়স ২৩ বছর সাত মাস। কিন্তু ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে একজন প্রার্থীর বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হতে হয়। যা স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯-এ উল্লেখ আছে।

এ বিষয়ে এস এম জাহাঙ্গীর প্রধান জানান, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগে বয়স সংশোধন করিয়েছেন তিনি। সংশোধনের কপি তার হাতে রয়েছে। কিন্তু ভোটার তালিকায় তার আগের জন্ম তারিখই রয়ে গেছে, যা সংশোধন করা হয়নি বলে জানান তিনি।

পরাজিত মেম্বার প্রার্থী কবির হোসেন মীর জানান, মেম্বার পদে প্রার্থী হতে ২৫ বছর বয়স হতে হয়। কিন্তু জাহাঙ্গীরের বয়স ২৩ বছর ৭ মাস। তিনি কী করে প্রার্থী হলেন এ বিষয়ে জানতে চাই। সেই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ পুনরায় নির্বাচনের জন্য জেলা রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগ করেছেন।

পলাশতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা খলিলুর রহমান সজীব জানান, জমা নেওয়ার সময় ঐ প্রার্থীর কাগজে কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা নেওয়া সব কাগজের তথ্য যাচাই করা হবে।

রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজগর হোসেন জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যদি প্রার্থী নিজেই তথ্য গোপন করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!