এর আগে, গত ৫ জানুয়ারি অসুস্থ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন বাচেনা খাতুন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকায় চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে ছিলেন তিনি।
হাসপাতালের সার্জারি কনসালটেন্ট ডা. ওয়ালিউর রহমান নয়ন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
.png)
আরো পড়ুন: পেটের মধ্যে আছে কাঁচি, জানা গেল ২০ বছর পর
তিনি বলেন, রোগীটির শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অপারেশন করা হয়েছে। পেট থেকে বের করা হয়েছে কাঁচিটি। বর্তমানে রোগী সুস্থ আছেন। তিনি সদর হাসপাতালেই ভর্তি আছেন।
এদিকে, চিকিৎসকের ভুলে দুর্ভোগে পড়া বাচেনা খাতুনের ক্ষতিপূরণ এবং অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।
আরো পড়ুন: ১৯ বছর ধরে নারীর পেটের ভেতর কাঁচি, দায়িত্ব নিলেন ক্লিনিক মালিক
উল্লেখ্য, পিত্তথলিতে পাথর অপারেশনের জন্য মেহেরপুরের গাংনীর রাজা ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছিলেন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার চিৎলা ইউনিয়নের হাপানিয়া গ্রামের বাচেনা খাতুন। ২০০২ সালের ২৫ মার্চ ঐ ক্লিনিকে তার অপারেশন করেন ক্লিনিক মালিক ডা. পারভিয়াস হোসেন রাজা। সে সময় পেটের মধ্যে একটি ৯ ইঞ্চির কাঁচি রেখেই সম্পন্ন করা হয় অপারেশন। এরপর কেটে গেছে ২০টি বছর।
২০ বছর ধরেই ডাক্তারের ভুলের খেসারত দিচ্ছিলেন বাচেনা খাতুন।