ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

জোড়া খুনের মামলার আসামি জোবায়ের, জানেই না পুলিশ

আদালতে ক্ষমা প্রার্থনা
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:৫৪, ২০ জানুয়ারি ২০২২
জোড়া খুনের মামলার আসামি জোবায়ের, জানেই না পুলিশ
ফাইল ছবি

জোড়া খুনের মামলার আসামি জোবায়ের হোসেন। নতুন করে অপর একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। কিন্তু সেই চার্জশিটে পূর্বের মামলার বিষয়টি উল্লেখ না করলেও একপর্যায়ে তা নজরে আসে আদালতের। এরপরই পুলিশের তদন্ত ও চার্জশিটের উদ্দেশ্য নিয়ে ওঠে প্রশ্ন।

ঘটনাটি চট্টগ্রামের। ১১ জানুয়ারি এ ঘটনায় আদালতে হাজির হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আলমগীর হোসেন। এরপরই তাকে সতর্ক করার পাশাপাশি আবেদন মঞ্জুর করে দায় থেকে অব্যাহতি দেয় আদালত।

এদিকে, দ্রুত জামিন ও বিচারে আসামিকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দিতে তদন্ত কর্মকর্তা এটি করে থাকতে পারেন বলে মনে করছে রাষ্ট্রপক্ষ। তবে ভুলে দুটি খুনের মামলার তথ্য চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বলে দাবি তদন্ত কর্মকর্তার।

Advertisement

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর অতিরিক্ত পিপি আইনজীবী আবিদ হোসেন বলেন, গত বছরের ২১ নভেম্বর আসামি জামিন নিতে এলে শুনানির একপর্যায়ে আদালতের নজরে আসে যে- চার্জশিটে তার অতীত রেকর্ডের কলাম শূন্য রয়েছে, কিন্তু কারাগার থেকে আদালতে পাঠানো পরোয়ানায় তার বিরুদ্ধে দুটি খুনের মামলার তথ্য রয়েছে। ওই সময় আদালতের প্রশ্নের জবাবে আসামিও বিষয়টি স্বীকার করেন। এ অবস্থায় তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তার ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেয় মুখ্য মহানগর হাকিম মো. রবিউল আলমের আদালত। 

আরো পড়ুন: রাতে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ

জানতে চাইলে এসআই আলমগীর হোসেন বলেন, ভুল করে চার্জশিটে দুটি খুনের তথ্য দেওয়া হয়নি। এটি ইচ্ছাকৃত নয়। ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলে সতর্ক ও ক্ষমার আবেদন মঞ্জুর করে দায় থেকে অব্যাহতি দেয় আদালত। 

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২ অক্টোবর নগরীর আকবরশাহ থানা এলাকায় মো. আরিফ নামে এক নির্মাণ শ্রমিককে হত্যাচেষ্টার মামলায় জোবায়ের হোসেনসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে পুলিশ।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকায় মালামাল নিয়ে যাওয়ার সময় ছিনতাইয়ের শিকার হয় একটি কাভার্ডভ্যান। ঘটনার দুদিন পর নগরীর হালিশহর থানার বড়পোল এলাকার একটি ডোবা থেকে কাভার্ডভ্যান চালক রিয়াদ হোসেনের এবং মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ এলাকা থেকে চালকের সহকারী মোহাম্মদ আলীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ দুটি হত্যা মামলায়ও আসামি জোবায়ের হোসেন। এ তথ্যই চার্জশিট থেকে গোপন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!