রোববার সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করে উপজেলার কাওয়ালীপাড়া বাজার তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।
গ্রেফতার আমু ভিকটিমের দূর সম্পর্কের মামা ও উপজেলার কাওয়াখোলা গ্রামের ইজ্জত আলীর ছেলে।
.png)
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, চার মাস আগে ঐ কিশোরী তার চাচাতো মামা (মায়ের চাচাতো ভাই) আমির হোসেন আমুর বাড়িতে বেড়াতে যায়। রাতে আমুর মেয়ের সঙ্গে ঘুমায় ঐ কিশোরী। এ সুযোগে আমু তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে।
সম্প্রতি ধর্ষণের শিকার ঐ কিশোরীর শারীরিক গঠনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে শনিবার সকালে তার ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়। এতে তার গর্ভে চার মাসের সন্তানের বিষয়টি ধরা পড়ে।
তবে ধর্ষণের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন গ্রেফতার আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। নদীতে মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্র করে আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে।
আমুর দাবি, গ্রামের বেশ কয়েকজন অসাধু মাতবর তার কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করেছেন। টাকা দিতে অস্বীকার করায় সন্ধ্যায় পুলিশের কাছে তারা মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করেছেন।
এ বিষয়ে কাওয়ালীপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. রাসেল মোল্লা বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত আমুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।