নিহত রাজনা বেগম উপজেলার আলীপুর গ্রামের জাকারিয়া আহমেদের স্ত্রী। পাঁচ মাস আগে এ দম্পতির বিয়ে হয়। সপ্তাহখানেক আগে তারা রসুলগঞ্জ বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় উঠেছিলেন। ঘটনার পর থেকে জাকারিয়া আহমেদ পলাতক।
প্রতিবেশী আবদুল আজিজ নামের এক ব্যক্তি বলেন, এখানে আসার পর থেকেই জাকারিয়া আহমেদ ও রাজনা বেগমের মধ্যে বিরোধ লেগেই ছিল। গতকাল ওই দম্পতির মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল।
.png)
আরো পড়ুন: কলেজের এক ভবনেই ৭০ মৌচাক
নিহত রাজনা বেগমের মামা তৈয়ব আলী বলেন, গতকাল রাতে রাজনার সঙ্গে তার স্বামী জাকারিয়ার ঝগড়া হয়। খবর পেয়ে রাজনার মা রাত ১০টার দিকে রসুলগঞ্জ বাজারে তাদের বাসায় এসে দেখেন ঘরের দরজায় তালা। এ সময় রাজনার নাম ধরে ডাকাডাকি করেন। তবে ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়া শব্দ পাচ্ছিলেন না। পরে তিনি দরজার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে দেখতে পান, তার মেয়ের লাশ ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন জড়ো হন।
খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। এরপর ঘরের ভেতর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রাজনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নবীগঞ্জ থানার ওসি ডালিম আহমেদ দুপুরে বলেন, ঘটনার পর থেকে নিহত রাজনার স্বামী পলাতক। মঙ্গলবার হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে, তবে এখনো মামলা হয়নি।