ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ভালোবাসায় ভরপুর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:২২, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
ভালোবাসায় ভরপুর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত
বন্ধু-প্রিয়জন ও পরিবার নিয়ে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ভ্রমণে এসেছেন হাজারো পর্যটক

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। একইদিন প্রকৃতিতে এসেছে পালাবদল। আজই ঋতুরাজ বসন্তের প্রথমদিন। অর্থাৎ পহেলা ফাল্গুন। দুটো উৎসবকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের পর্যটনকেন্দ্র সাগরকন্যা খ্যাত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বসেছে প্রেমিক-প্রেমিকার মিলনমেলা।

ভালোবাসা দিবস ও বসন্ত বরণ উপলক্ষে রোববার বিকেল থেকেই হাজারো ভ্রমণ পিপাসুর আগমন ঘটতে শুরু করে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে। তাদের মধ্যে অধিকাংশই প্রেমিক যুগল। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে কেউ তুলছেন ছবি, কেউবা সৈকতের বালিয়াড়িতে লিখছেন নিজের ও প্রিয় মানুষটির নাম। কেউ আবার প্রিয় মুহূর্ত কাটাচ্ছেন সঙ্গীর হাত ধরে সমুদ্রের লোনা পানিতে পা ভিজিয়ে ও সূর্যস্নান করে।

এদিকে, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে প্রশাসন ও ট্যুরিস্ট পুলিশ সতর্ক থাকলেও উদাসীন ভাব লক্ষ্য করা গেছে পর্যটকদের মধ্যেই। তাদের মধ্যে করোনা সচেতনতা কিংবা স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই।

Advertisement

সরেজমিনে কুয়াকাটা সৈকতে দেখা গেছে, জিরো পয়েন্টের পশ্চিমপ্রান্তের লেম্বুরচর এবং পূর্বপ্রান্তের গঙ্গামতি সৈকত পর্যন্ত পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত। কেউ নেচে গেয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস করছেন। আবার কেউ সৈকতে বিচ চেয়ারে হেলান দিয়ে উপভোগ করছেন সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

সৈকতের বালিয়াড়িতে নিজের ও প্রিয়জনের নাম লিখছেন এক তরুণী। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

এদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশন, ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক, পর্যটকদের ছবি তোলায় নিয়োজিত ক্যামেরা পার্সনদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলেই নেয়া হচ্ছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।

রুবিনা নামে এক পর্যটক জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে দুই বছর ঘর থেকে বের হতে পারিনি। তাই এ বছর কোনো বাঁধাই মানিনি। সমুদ্র সৈকতে এসে কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছি।

শান নামে আরেক পর্যটক বলেন, ১৮ কিলোমিটার কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত জুড়েই রয়েছে সৌন্দার্যের ভান্ডার। ভালোবাসা দিবস উদযাপন আর বসন্তকে বরণ করতে পুরো সৈকত এখন প্রেমিক-প্রেমিকা আর নব-দম্পতিদের দখলে।

হোটেল সমুদ্রবাড়ির ম্যানেজার মো. জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে পর্যটকের সংখ্যা খুবই কম। তবে সোমবার সকাল থেকে অনেক পর্যটক এসেছে। এখন পর্যন্ত যারা এসেছেন- অধিকাংশই নবদম্পতি কিংবা প্রেমিক যুগল।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল খালেক বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। এছাড়া পর্যটকদের সচেতনতায় প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!