মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নারী-শিশু, পুরুষ ও ডায়রিয়া ওয়ার্ড মিলে ২৬০ জন রোগী ভর্তি আছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই শিশু ও বয়স্ক। কাগজে কলমে ২৫০ শয্যার হলেও ধারণ ক্ষমতা ১০০ জন। ফলে বেড ও রুমের ভিতর জায়গা না পেয়ে বারান্দায়, সিঁড়ির নিচে ও চলাচলের পথে শুয়ে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়াও হাসপাতালের আউটডোরে প্রতিদিন প্রায় ৩০০-৪০০ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, আউটডোরে রোগীদের দীর্ঘ সারি। ওয়ার্ডে মধ্যে জায়গা না পেয়ে ঠাঁই হয়েছে হাসপাতালের পরিত্যক্ত খালি জায়গায়।
.png)
রোগীরা জানায়, দিনের বেলায় গরম আর রাতে ও ভোরে ঠান্ডা আবহাওয়া। ফলে শরীর মানিয়ে নিতে পারছে না। থেমে থেমে জ্বর আসছে। দিনে ভালো থাকলেও রাতে নাক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। শিশু ও বয়স্কদের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাচ্ছে। রমজান মাস অনেকেরই রোজা রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে জায়গার সংকট ও অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা সব জায়গায় নেই।
মেডিকেল অফিসার ডা. তারেক আহমেদ বলেন, এই সময় আমাদের বাড়তি সতর্ক থাকতে হয়। কিন্তু আমরা আমাদের শরীরের যত্নে উদাসিন। রোগাক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে দৌড়ায়। কিন্তু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করলে আবহাওয়া জনিত রোগ থেকে বাঁচা যায়। যেমন, স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবার খাওয়া, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার করা। হঠাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তনে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে উপযুক্ত পোশাক পরা। শরীর হাইড্রেটেড রাখতে প্রতিদিন ২ লিটার বা তার বেশি পানি, ডাবের পানি, বা শরবত পান করা। বাইরে থেকে এসে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত-মুখ ধোয়া।
মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. বুকবুল কবির বলেন, নতুন ভবন মোটামুটি চালু হয়েছে, পুর্নাঙ্গভাবে চালু হতে কিছুটা সময় লাগবে। তারপর আসন সংকট দূর হবে। ওষুধের সরবরাহ পর্যাপ্ত আছে কিন্তু অনেকেই দিনে তিন-চারবার এসে ৫ টাকার টিকিট কেটে ওষুধ নিয়ে যায়। এদের চিহ্নিত করে ফেরত দেওয়া হয়।