রুট জানিয়েছেন, তাদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেই স্টোকস ও বেয়ারস্টোকে মাঠে নামানো হবে। তবে তারা খেললে শুধুমাত্র ব্যাটার হিসেবেই খেলতে পারেন।
সিডনিতে চতুর্থ টেস্টে ইনজুরিতে পড়েন স্টোকস ও বেয়ারস্টো। সাইড স্ট্রেইন ইনজুরিতে পড়েন স্টোকস। বেয়ারস্টো পড়েছেন আঙ্গুলের ইনজুরিতে। আঙ্গুলের ইনজুরির কারণে সিরিজ থেকে ছিটকে পড়েছেন উইকেটরক্ষক জস বাটলার। এরই মধ্যে দেশেও ফিরে গেছেন তিনি।
.png)
পঞ্চম ও শেষ টেস্টে স্টোকস-বেয়ারস্টোর খেলা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। খেললেও তারা শুধুমাত্র ব্যাটার হিসেবেই খেলবেন বলে জানিয়েছেন রুট।
তিনি বলেন, আগামী কয়েকদিনে তাদের ফিটনেসের মূল্যায়ন করা হবে। অবশ্যই আপনি স্টোকসকে ব্যাটার হিসাবে বেছে নিতে পারেন, এমনকি বেয়ারস্টোকেও। আমাদের দেখতে হবে তারা কি অবস্থায় আছে, তাদের শারীরিক অবস্থা কেমন।
তিনি আরো বলেন, আপনাকে চিকিৎসকের পরামর্শ মানতে হবে। দলকে ভালো অবস্থায় নিতে ও জেতাতে ছেলেরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে এবং কখনও কখনও এটি কিছু কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
চতুর্থ টেস্টের দুই ইনিংসেই হাফ সেঞ্চুরি করেন স্টোকস। ৬৬ ও ৬০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। প্রথম ইনিংসে ১১৩ রান আসে বেয়ারস্টোর ব্যাট থেকে। এবারের অ্যাশেজে ইংল্যান্ড প্রথম ও একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান তিনি।
প্রথম তিন হারের পর চতুর্থ ড্র’তে বড় অবদান ছিলো স্টোকস ও বেয়ারস্টোর। এতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে সক্ষম হয়েছে ইংল্যান্ড।
শেষ টেস্টে স্টোকস ও বেয়ারস্টোকে একাদশে নিলেও পুরো পাঁচদিন লড়াই করতে পারবেন কি না সেটি নির্ভর করছে তাদের ফিটনেসের উপর।
রুট বলেন, ‘আমি মনে করি, তাদের এটি নিশ্চিত করতে হবে যে তারা পাঁচ দিন খেলতে পারবে। খেলার জন্য ফিট হওয়া ঠিক আছে। তবে আপনাকে পারফর্ম করার জন্য ফিট হতে হবে এবং এভাবেই আমাদের কাজ করতে হবে।
২০১১ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। সময়ে ১৪ ম্যাচে ১২টি হার ও ২টিতে ড্র করে অজিরা। সিডনি টেস্টে হারতে হারতে বেঁচে যায় ইংল্যান্ড।
এ ম্যাচ থেকে আত্মবিশ্বাস পেতে মরিয়া রুট। শেষ উইকেটে দিনের শেষ ১২ বল খেলে ম্যাচটি ড্র করেন দুই বর্ষীয়ান ক্রিকেটার স্টুয়ার্ট ব্রড ও জেমস অ্যান্ডারসন।
তিনি বলেন, টানা তিন ম্যাচ হারের পর আমরা শেষ ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্স করেছি এবং কিছু করে দেখাতে পেরেছি। শেষ কয়েক ওভার পার করার পর আমরা স্বস্তির একটি উপাদান পেয়েছিলাম।
আগামী ১৪ জানুয়ারি হোবার্টে হবে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্ট। ম্যাচটি দিবা-রাত্রির।