বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রায় ৬টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
জানা যায়, উপজেলা যুবলীগ যুগ্ম সম্পাদক লিটন খান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ আড়াই বছর ধরে কাঁচপুর ব্রিজের পাশে এ স্ট্যান্ডটি ভাড়া দিয়ে রেখেছেন। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বাবুল ওমর বাবুর নজর পড়ে সম্প্রতি এ স্ট্যান্ডে। এরপর বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় স্থানীয় মনু মেম্বারের নেতৃত্বে তার ভাই মিজান, সহযোগী রেজাউল, বাপ্পী, নুরজ্জামান, জামানসহ ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল আগ্নেয়াস্ত্র ককটেল রাম দাসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে স্ট্যান্ড দখলের জন্য হামলা চালান।
.png)
এ সময় ৬টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সঙ্গে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন তারা। পরে লিটন খানের লোক মারুফ, ওয়াসিম, পলাশ, ইকবালকে কোপায়। তাদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় লিটন খান বলেন, আমরা নিরীহ মানুষ। ওরা প্রভাব দেখিয়ে জায়গা দখলের চেষ্টা করেছে। আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি। আশা করছি প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
সোনারগাঁও থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম জানান, ককটেল বিস্ফোরণ কিংবা গুলির খবর আমার জানা নেই। সেখানে মারামারি ও গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে শুনেছি। এখনো থানায় কোনো অভিযোগ বা মামলা কেউ করেনি।