বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। নিহত রহিম উপজেলার সারুটিয়া কৃষ্ণনগর গ্রামের খোরশেদ শেখের ছেলে।
নিহতের ছেলের বউ প্রেমা খাতুন অভিযোগ করে জানান, পঞ্চম ধাপের নির্বাচনের আগে ২৩ ডিসেম্বর কাতলাগাড়ী পুরাতন বাজারে তার শ্বশুর আব্দুর রহিমকে পিটিয়ে গুরতর আহত করেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জুলফিকার কাইছার টিপুর সমর্থকরা। পরে তাকে উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকরা। ছয়দিন আগে তাকে রাজশাহী মেডিকেলে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
.png)
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পঞ্চম ধাপের ভোট শেষে শনিবার পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর আগে চতুর্থ ধাপে তিনজন, তৃতীয় ধাপে ১০ জন, দ্বিতীয় ধাপের আগে পরে ১৬ জন ও প্রথম ধাপে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে এখন পর্যন্ত ৪৯ জনের প্রাণহানির তথ্য মিলেছে। গত জুন থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ ধাপের নির্বাচনের প্রতি ধাপেই প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে সংঘাতে তাদের মৃত্যু হয়।