শুক্রবার রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ভবনের লিফটে এ ঘটনা ঘটে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চন্দনপুরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম।
.png)
তিনি বলেন, ঐ লিফটে ধারণক্ষমতার চেয়ে চারজন বেশি উঠেছিলেন। এ কারণে লিফটটি নিচে নেমে যায়, এরপর আর লিফটের দরজা খুলছিল না। ৯৯৯-নম্বরে কল পেয়ে আমরা আটকা পড়া চিকিৎসকদের নিরাপদে বের করে নিয়ে আসি।
লিফটে আটকা পড়া চিকিৎসকের একজন ডা. নকিব। তিনি বলেন, আমরা রাত ৯টার পর ঐ ভবনের চারতলায় বিএমএ’র অফিসে কাজ সেরে নামছিলাম। লিফটের ভেতরে কোনো নির্দেশনা ছিল না। আর ধারণক্ষমতার বেশি উঠেছিলাম, তাও বলা যাচ্ছে না। কারণ ধারণক্ষমতার বেশি লোক উঠলে লিফটের দরজা বন্ধ হবে না। এছাড়া এলার্মও বাজার কথা।
ডা. নকিব বলেন, মূলত যেটা হয়েছে লিফটে ওঠার পর দরজা খুলছিল না। পরে ইমারজেন্সিতে কল দেই, কর্তৃপক্ষ টেকনিশিয়ান আনার কথা বলছিল। আমরা আধা ঘণ্টারও বেশি সময় আটকা ছিলাম। পরে ৯৯৯ নম্বরে কল দেই।