গ্রেফতারকৃতরা হলেন-আতাহার ফকিরের ছেলে সুমন ফকির ও নরেন চন্দ্র শীলের ছেলে শয়ন চন্দ্র শীল।
রোববার বেলা ১টায় নগরীর পলিটেকনিক্যাল সড়কের জেলা পুলিশ সুপার কার্যলয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহ জাহান হোসেন।
.png)
এ সময় তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতার করে আনার পর তাদের প্রার্থমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাদের দেওয়া তথ্য মতে, ১২ জানুয়ারি বুধবার রাতে মরিয়ম বেগ একা থাকার সুযোগে ঘরে ঢুকে হত্যাকারীরা যৌন নির্যাতন করে।
এ ঘটনা পরের দিন স্থানীয় গ্রামবাসীদের কাছে মরিয়ম বেগম সবার কাছে মুখ খুলতে পারে সেই আশঙ্কায় তাকে ঘর থেকে টেনে বের করে নিয়ে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে। পরে মরিয়মের লাশ বসতঘর থেকে ১০০ গজ উত্তরে সন্ধ্যা নদীতে ভাসিয়ে দেয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ জাহান বলেন, এখন ময়নাতদন্তের তথ্য হাতে আসলে সম্পূর্ণ নিশ্চিত হওয়া যাবে হত্যার পূর্বে সে কি ধরনের নির্যাতন হয়েছে।
তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, রাতে মরিয়মকে ধর্ষণ করা হয়েছে, সে কথা দিনের বেলায় সবাই জেনে যাবে এই ভয়ে, তাকে হত্যা করে রাতের আঁধারে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দিয়ে প্রমাণ গোপন করতে চেয়েছিল।
গত বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) ভূতেরদিয়া এলাকায় সন্ধ্যা নদীর নালার মধ্যে মরিয়ম বেগমের লাশ পড়ে খবর পেয়ে মরিয়মের সন্তান মো. এমরান হোসেনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় স্থানীয় এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে লাশ উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।