জানা যায়, সোমবার রাতে প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার মডুরা গ্রামের ফেরদৌস আরা। ভোরে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন তিনি। নবজাতকের ঠান্ডাজনিত সমস্যা থাকায় সকাল ৭টার দিকে নবজাতককে ভর্তি করা হয় স্ক্যানো ওয়ার্ডে। কিন্তু ৯টার দিকে খোঁজ নিলে জানা যায় নবজাতক নিখোঁজ। খবর পেয়ে নবজাতকের স্বজনরা হাসপাতালে ছুটে আসলে দেখা দেয় উত্তেজনা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এদিকে, বেলা ২টার দিকে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডের একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয় ওই নবজাতককে।
আরো পড়ুন: ৪৮ বছরের পুরোনো ওয়্যারিংয়ে চলছে রমেক হাসপাতাল
.png)
অপরদিকে, মঙ্গলবার সকালেই হাসপাতালে কন্যা নবজাতকের জন্ম দেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা গ্রামের মাসুম চৌধুরী ও আকলিমা বেগম দম্পতি। তাদের শিশুও ছিল স্ক্যানো ওয়ার্ডে। তাদের দাবি নার্স ভুলবশত তাদের কন্যা শিশুর বদলে পুত্র শিশুটি তাদের কাছে দিয়েছিল। যে কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পরে তারা নিজেরাই বিষয়টি বুঝতে পেরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অবগত করেন বলেও জানান তারা।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. মাসুক আলী জানান, হাসপাতাল থেকে শিশু নিখোঁজ ও উদ্ধার হওয়ার ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদেন্তর পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আমিনুল হক সরকার জানান, পুরো ঘটনাটি পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হবে।